
মোঃ কাওছার আহম্মেদ, গাইবান্ধা:
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ৭নং হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মো: মতিউর রহমান টুকু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি ইউনিয়নবাসীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন।
তিনি জানান, ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়ার পরই তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে বিভিন্ন সময় মামলা ও কারাবরণের অভিজ্ঞতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
মতিউর রহমান টুকু বলেন, “সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও অবহেলিত হলদিয়া ইউনিয়নের উন্নয়নই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। নির্বাচিত হলে এই ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব পরিষদ হিসেবে গড়ে তুলবো।”
তিনি একটি ১০ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন, যেখানে উন্নয়ন ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইশতেহারের প্রধান দিকগুলো হলঃ
১. স্থায়ী ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণ করে চর ও মূল ভূখণ্ডের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করা।
২. সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা স্বচ্ছভাবে এবং বিনা উৎকোচে সঠিক উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
৩. গ্রাম আদালতকে সক্রিয় করে স্থানীয় পর্যায়ে মামলা-মোকদ্দমা কমিয়ে আনা।
৪. সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা।
৫. যুবসমাজকে খেলাধুলা ও সুস্থ বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা।
৬. শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
৭. যমুনা নদীর তীর রক্ষা প্রকল্প শেষে বিনোদন কেন্দ্র স্থাপন করা।
৮. চরাঞ্চলের কৃষিপণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৯. শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে নৌকা পারাপারের ব্যবস্থা চালু করা।
১০. জরুরি চিকিৎসা সেবার জন্য অ্যাম্বুলেন্স বোট চালুর উদ্যোগ নেওয়া।
তিনি আরও বলেন, “আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি—দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে একটি জবাবদিহিমূলক ও সেবামুখী ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তুলবো।
এদিকে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে হলদিয়া ইউনিয়নে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মতিউর রহমান টুকুর সক্রিয়তা স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।







































