
সিস্টেম লস কমাতে ৫৭ বছরের পুরোনো পাইপলাইন বদলাতে চায় তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকায় নতুন পাইপলাইন বসাতে পরিকল্পনা কমিশনে ৮১৬০ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব পাঠিয়েছে সংস্থাটি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্যাস সরবরাহ সক্ষমতা কমছে, তাই অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত না করে এমন প্রকল্প নেওয়া অযৌক্তিক।
গত অর্থবছর পেট্রোবাংলা থেকে তিতাস গ্যাস বরাদ্দ পায় ১৫৭০ কোটি ঘনমিটার। বিক্রি করে ১ হাজার ৪৫০ কোটি ঘনমিটার। বাকি ৭ দশমিক ৬৭ ভাগ সিস্টেম লস। চলতি বছর জানুয়ারিতে যা ১০ শতাংশ ছাড়ায়।
তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহনেওয়াজ পারভেজ বলেন, আবাসিকের কয়েক লাখ অবৈধ সংযোগ, শিল্পখাতে গ্যাস চুরির পাশাপাশি ছয় দশকের পুরোনো পাইপলাইনের লিকেজ সিস্টেম লসের মূল কারণ। তাই ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ এলাকায় প্রায় ২৮০০ কিলোমিটার পাইপলাইনের পরিবর্তন করা হবে। প্রকল্পে অর্থায়ন করবে সরকার, বিদেশি ঋণদাতা সংস্থা ও তিতাস। ১৮টি স্টেশনে বসবে স্ক্যাডা সিস্টেম। ২০৩০ সালে শেষ করার লক্ষ্যে প্রকল্প প্রস্তাব গেছে পরিকল্পনা কমিশনে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ইজাজ হোসেন বলেন, দুর্নীতিবাজ কর্মীদের যোগসাজশে আবাসিকের অবৈধ গ্যাস সংযোগের দৌরাত্ম্য ঠেকানো যায় না। অন্যদিকে গ্যাসের উত্তোলন কমায় বাড়ছে এলএনজি নির্ভরতা। শিল্পখাতে গ্যাস সরবরাহে প্রাধান্য দিয়ে জ্বালানি কৌশল নিতে হবে।
এদিকে সিস্টেম লস বেড়ে যাওয়ার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিতাস গ্যাসের মুনাফায়। গত অর্থবছর প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি লোকসান ছাড়িয়েছে সাড়ে সাত টাকা।







































