
শ্রীবাস মজুমদার স্টাফ রিপোর্টার:-
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের মামলা পরিচালনার জন্য প্রসিকিউটর(সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল পদ মর্যাদায়) হিসেবে নিয়োগ পেলেন সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী আবদুস সাত্তার পালোয়ান।তিনিসহ চার আইনজীবীকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার(২৭মার্চ)আইন,বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগ (জিপি- পিপি শাখা)তাঁদের নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,আন্তর্জাতিক অপরাধ(ট্রাইব্যুনাল)অ্যাক্ট ১৯৭৩এর সেকশন৭(১)অনুসারে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনার জন্য চারজন আইনজীবীকে পুনরায় আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রসিকিউটর পদে(বর্ণিত পদমর্যাদা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাসহ) নিয়োগ দেওয়া হলো।এই নিয়োগের আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
নিয়োগ পাওয়ার এডভোকেট আবদুস সাত্তার পালোয়ান বলেন,২০১২সাল থেকে আমি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের ডিফেন্স কাউন্সিলর হিসেবে যুক্ত ছিলাম।দীর্ঘ ১৩বছর ধরে এই আদালতে বিরোধী দলের বহু
এমপি মন্ত্রীদের মামলাসহ অনেক মজলুম মানুষের মামলা পরিচালনা করেছিলাম।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বহু ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী আমি।আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইতিহাসে প্রথম যে আসামি খালাস
পেয়েছিল তার আইনজীবী ছিলাম আমি। এছাড়া প্রথম তিনজন আসামি অব্যাহতি,সারেন্ডার পূর্বক আসামির প্রথম জামিনসহ ৩০এর অধিক আসামীর জামিনসহ অসংখ্য রেকর্ড মামলায় আমি আইনজীবী ছিলাম।
জনাব আবদুস সাত্তার বলেন,২৪ এর জুলাই আগস্ট এর গণহত্যা নিয়ে সর্বপ্রথম শেখ হাসিনাসহ গণহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের কৃত প্রথম মামলায় আমি আইন সহায়তাকারী।
এছাড়া গণহত্যার বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আইন এর অধীনে হবে বলে সারাদেশের শহীদ ও আহত পরিবারের লোকদেরকে আমি সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দিই।
আবদুস সাত্তার পালোয়ান লক্ষ্মীপুর কমলনগর উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী চর ফলকন গ্রামের বাসিন্দা।তিনি আইন পেশার পাশাপাশি অসংখ্য সামাজিক কাজের সাথে জড়িত।
লক্ষ্মীপুরের মেঘনানদীর বাঁধ আন্দোলন, লক্ষ্মীপুরে লঞ্চ চলাচল আন্দোলন এবং ২০২৪সালে লক্ষ্মীপুরের মনুষ্য সৃষ্ট বন্যা থেকে মুক্ত করতে রিটকারী এবং খাল নদীগুলোকে দখল উদ্ধারে জোরালো ভূমিকা পালন করছেন।





























