
ওয়াসিম উদ্দিন সোহাগ (স্টাফ রিপোর্টার) দ্রব্যমূল্যর উর্ধ্বগতির বেসামাল বাজারে বেগুনের দর আকাশছোয়া। বর্তমান কাঁচাবাজারে বেগুন কিনতে সাহস পাচ্ছেনা সাধারণ মানুষ।
জানা যায়, কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় গত কিছুদিন আগেও যে বেগুন ৮-১০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে সেই বেগুন বর্তমানে খুচরা বাজারে ১১০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এমন বেসামাল বাজার নিয়ে সাধারণ মানুষ চিন্তিত। সাধারণ মানুষ আশা করে কাঁচামালসহ সকল দ্রব্যমূল্য বাজার যেন নিয়ন্ত্রণ থাকে। এবং দরের উর্ধ্বগতি নিম্নগতির যেন ধারাবাহিকতা থাকে।
বেগুন কিনতে আসা গৃহিণী সানজিদা আক্তার তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন - হঠাত করে বেগুনের দাম ১০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১১০ টাকা হয়ে যাবে এমন অসম বাজার আমরা আশা করিনা। এমন লাগামহীন বাজার হওয়ার কারণে আমরা সাধারণ মানুষ খুবই বিপদে আছি। তিনি আরো বলেন বেগুনের বাজার স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত বেগুন আর কিনব না।
বেগুন কিনতে আসা আলিম উদ্দিন বলেন, রমজান মাসে সব সময় বেগুনের দর বাড়ে। কিন্তু গেল রমজানে বেগুনের দর ছিল খুবই কম। কিন্তু রমজান যেতে না যেতেই বেগুনের বাজরে যেন আগুন ধরেছে। হঠাত করে যেকোন জিনিসের এমন উর্ধবগতি আমাদের বেকায়দায় ফেলে দেয়। পথচারী লোকমান মিয়া বলেন, এক হলো দর বেশি তার উপর বেগুনে পোকা। কিনে নেওয়ার পর অর্ধেক থাকেনা।
বেগুন বিক্রেতা হুমায়ুন কবির বলেন, আজ বেগুনের দাম ৮০ টাকা গতকাল (২৬ এপ্রিল শুক্রবার) ১২০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। একদিনের ব্যবধানে ৪০ টাকা কম।
এমন অসম বাজারদরের কথা জানতে চাইলে বিক্রেতা বলেন, এটা বলতে পারবোনা। আমরা পাইকারিতে যখন বেশি দরে কিনে আনি তখন বেশি দরে বিক্রি করি। আবার যখন কম দরে কিনে আনি তখন কম দরে বিক্রি করি। আমরা খুচরা দোকানদার এতকিছুর খবর রাখিনা।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাছ,মাংস,আলু,কাঁচামরিচ, টমেটো,ঢেড়শ,করলা,কচু, গাজর,সজনে,ধনেপাতা,সহ সকল দ্রব্যসামগ্রীর উর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যায়। সারাদেশে গরমের তীব্রতার কারণে অনেক ক্রয়কৃত কাঁচামাল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় দর বাড়ার কারণ বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।




































