
বিশেষ প্রতিনিধি -:বাংলাদেশের প্রাচীন দ্বাবিংশতম ঋষিকুম্ভ ও কুম্ভমেলা পরিদর্শন করেছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক একুশে পদকপ্রাপ্ত উপমহাদেশের প্রখ্যাত ঢোলবাদক লোকশিল্পী বিনয়বাঁশী জলদাস স্মরণে প্রতিষ্ঠিত লোক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠী'র নেতৃবৃন্দ।রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশে একমাত্র চট্টগ্রামের বাঁশখালীস্থ পূর্ণকুম্ভের অনুসরণে যুগাবতার শিবকল্পতরু শ্রী শ্রীমৎ স্বামী অদ্বৈতানন্দ পুরী মহারাজ প্রবর্তিত ঋষিধামে প্রতি তিন বছর পরপর এ কুম্ভমেলার আয়োজন হয়ে থাকে। ঋষি অদ্বৈতানন্দ পরিষদের সহযোগিতায় ১১দিন ব্যাপী এই দ্বাবিংশতম আন্তর্জাতিক ঋষিকুম্ভ ও কুম্ভমেলা অনুষ্ঠিত হয়। এ আয়োজনে হাজার হাজার দেশি-বিদেশি ভক্তবৃন্দের পদচারণায় মুখরিত হয় আন্তর্জাতিক ঋষিকুম্ভ ও কুম্ভমেলা। এদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পুরো সময় জুড়ে বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ পরিদর্শন করেন ঋষিকুম্ভ ও কুম্ভমেলার এই বর্ণাঢ্য আয়োজন।এতে উপস্থিত ছিলেন বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠী'র প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও সাধারণ সম্পাদক শিল্পী ও সাংবাদিক বিপ্লব জলদাস, সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাগীশিক বোয়ালখালী উপজেলা সংসদ'র সাবেক সভাপতি শিক্ষক সত্যপ্রিয় শীল, বিধু দে, টিটন দে সহ উৎসব উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ।১১দিন ব্যাপী এ বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশের বিখ্যাত বিভিন্ন শিল্পী ও কলাকৌশলীদের ধর্মীয় সংগীত ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মুখরিত ছিল পুরো অঙ্গন। ঋষিকুম্ভ ও কুম্ভমেলার এ আয়োজন পরিদর্শন শেষে বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠীর নেতৃবৃন্দ বলেন ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষের আত্মশুদ্ধি হয়, মন পবিত্র হয় এবং মানুষে মানুষে নতুন ভাবের মেলবন্ধন ও হৃদ্যতা তৈরি হয়। এবং ঋষিকুম্ভ ও কুম্ভ মেলার আয়োজনের সফলতা কামনা করেন উপস্থিত বিনয়বাঁশী শিল্পীগোষ্ঠী'র নেতৃবৃন্দ।




























