
সাইফ উল্লাহ, স্টাফ রিপোর্টার::“সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি” শ্লোগানকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ, ইও ও ভার্ড এর সহযোগিতায় আলোচনা সভার আয়োজন করে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর। রবিবার সকালে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পরে বিশ্বম্ভরপুর ওয়ভে এর উদ্যোগে মানববন্ধন করা হয়। বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান এডভোকেট ছবাব মিয়ার সভাপতিত্বে ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এর ফাইজুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকৌশলী রজতকান্তি দাস, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ফেরদৌর রহমান, ডা. সুমন চন্দ্র বর্ম্মন, পলাশ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান স্বপন পাল, সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মদিনা আক্তার, পিএফজি সদস্য গোলাপ মিয়া। এ সময় রাজনীতিতে এগিয়ে থাকা নারী হিসেবে ওয়েভ এর পক্ষ থেকে মদিনা আক্তার কে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এ বছরের প্রতিপাদ্য-“আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায় বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার”-শুধু একটি শ্লোগান নয়, এটি সময়ের দাবি। বক্তারা বলেন, দেশে নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও সামাজিক অবক্ষয়, অনলাইন হয়রানি, মাদকাসক্তি, পারিবারিক সহিংসতা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি নারী ও শিশুদের ঝুঁকির মুখে ফেলছে। তারা আরও বলেন, ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হলে অপরাধীরা উৎসাহিত হয়। দীর্ঘসূত্রতা, প্রভাবশালীদের চাপ ও সামাজিক লজ্জার কারণে অনেক ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পান না, ফলে অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটে। নারী ও কন্যার নিরাপত্তা কেবল নারীর ইস্যু নয়-এটি মানবাধিকারের প্রশ্ন এবং রাষ্ট্রের অগ্রগতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।সভায় বক্তব্য রাখেন, ওয়াইপিএজির শামসুল কবির, ভার্ড এর ম্যনেজার সাইদুল ইসলাম, ইরার অর্পিতা রানী। আলোচনা সভা শেষে মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন, বিশ্বম্ভরপুর ওয়েভ এর স্বপ্না, ফুল মালা, আজিজা খাতুন, সংগীতা হাজং, উর্মিলা হিজরা, রুবিয়া, আফরোজা জামান, মিনারা আক্তার, সুইটি পাল, সুমাইয়া আক্তার, পাপিয়া আক্তার, রত্না রানী, শান্তনা, পিস এম্বাসেডর সিরাজ খন্দকার, পিএফজি সদস্য গোলাপ মিয়া, ওয়াইপিএজির শামসুল কবির প্রমূখ।মানববন্ধন থেকে বক্তারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার এবং নারী ও কন্যার অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তারা বলেন, আজকের সাহসী পদক্ষেপই আগামীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে এবং সুরক্ষিত নারী ও কন্যাই গড়ে তুলবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।





























