
মো আনিছুর রহমান (স্টাফ রিপোর্টার) ব্রাহ্মণবাড়িয়াঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া থেকে আগুনে পোড়া অবস্থায় সিমা রানী দাস নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে সরাইল থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকে সীমার স্বামী রঞ্জন বিশ্বাস পলাতক রয়েছে।
পুলিশ ও সীমার স্বজনেরা জানান, আট বছর আগে হবিগঞ্জ জেলার রানু শীলের মেয়েকে বিয়ে করেন শাহবাজপুরের রঞ্জন বিশ্বাস।
৮ বছরের সংসার জীবনে তাদের পরিবারে ৭ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে তার স্বামী রঞ্জন বিশ্বাস প্রতিদিনকার ন্যায় কাজে বের হয়ে যায়। শ্বাশুড়ী শোনতি রানী বিশ্বাসও অন্যের বাড়ীতে কাজ করতে বেরহয়ে যায়। এর মধ্যে আগুনে পোড়া গন্ধপেয়ে প্রতিবেশীরা সীমার বসদঘরের দিকে এগিয়ে যান। এসম সারা শব্দ না পেয়ে তারা সিমার ঘরে প্রবেশ করেন। এসময় প্রতিবেশিরা দেখতেপান, সিমার নিথর দেহ বাথরুমে পরে আছে। শরির থেকে আগুনের পোড়া অবস্থায় ধোঁয়া বের হচ্ছে। পরে তারা পানিদিয়ে আগুন নেভায়। তবে তার আগেই সিমা মারাযান। পরে বিষয়টি জানিয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে আগুনে পোড়া অবস্থায় ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের কাকাতো ভাই বিজয় দাস জানান,'ঘটনার খবর পেয়ে আমরা এসেছি। আমরা এই ঘটনার প্রকৃত রহস্য উম্মোচন করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। এলাকাবাসী জুয়েল মিয়া জানান,দিন দুপুরে এমন ঘটনা মেনে নেয়া যায় না।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম তালুকদার জানান, ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা এখন আমরা স্পষ্ট কিছু বলতে পারছিনা। এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। ঘটনার পর থেকে নিহত সীমা রানী দাসের স্বামী রঞ্জন বিশ্বাস পলাতক রয়েছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে প্রকৃত ঘটনা বের হয়ে আসবে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।





























