
স্টাফ রিপোর্টার দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা-এ বোরো আবাদে পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন হাওরের মাঠে জমির মাটি ফেটে চৌচির হয়ে পড়েছে। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বোরো চাষিরা।উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলার ছোট-বড় ২৩টি হাওরে প্রায় ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান বেশি আবাদ হওয়ায় এবার প্রায় তিন শত কোটি টাকার ধান উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।তবে বৃষ্টির অভাবে অনেক কৃষককে সেচের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। কিন্তু হাওরের পানিও ধীরে ধীরে শুকিয়ে যাওয়ায় অনেক জায়গায় পর্যাপ্ত সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে জমিতে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং বোরো ক্ষেতে পানির সংকট বাড়ছে।উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন-এর কাউজ্যাউরি হাওরপাড়ের কৃষক কপিলনুর মিয়া বলেন, “আমি ৩৬ কেয়ার জমিতে বোরো ধান রোপণ করেছি। বৃষ্টি না থাকায় সেচের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। কিন্তু হাওরের পানি শুকিয়ে যাওয়ায় ঠিকমতো সেচ দেওয়া যাচ্ছে না। জমি ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। দ্রুত বৃষ্টি না হলে ফসল উৎপাদন নিয়ে শঙ্কা দেখা দিতে পারে।এদিকে মাটিয়ান হাওরপাড়ের কৃষক মোকাদ্দির হোসেন বলেন,বৃষ্টি না হওয়ায় আমরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে যাচ্ছি। জমি রোপণের পর থেকেই সেচের মাধ্যমে পানি দিতে হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে হাওরের পানি শুকিয়ে যাওয়ায় সেচ দিয়েও জমিতে ঠিকমতো পানি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় বোরো ফসল উৎপাদন নিয়ে শঙ্কায় আছি।স্থানীয় কৃষকদের মতে, দ্রুত বৃষ্টি না হলে বোরো আবাদে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। এজন্য তারা বৃষ্টির অপেক্ষায় দিন গুনছেন।





























