
স্টাফ রিপোর্টারঃঅভিযোগের স্বাক্ষী দেওয়া কে কেন্দ্র করে এক ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যানের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে একই পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। ন্যাক্ষারজনক এ ঘটনা ঘটে ২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জ জেলা শহরের জেল রোড এলাকায়। গুরুতর আহত ইউপি সদস্য খোরশেদ মিয়াকে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানাযায়। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের অনাস্থাপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আমির হোসেন রেজা ও তার বাহিনী এ হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন আহত ইউপি সদস্য খোরশেদ মিয়া। তিনি ওই পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান। চেয়ারম্যানরর বিরুদ্ধে সাক্ষী দেয়ার জেরে এ হামলার ঘটনা বলছেন জনপ্রতিনিধিগণ। তারা বলেন, অনাস্থাপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রেজার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসক ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ২০ নভেম্বর তদন্ত করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এনামুর রহিম। তদন্ত কার্যক্রমে হাজির হয়ে পরিষদের জনপ্রতিনিধিগণ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে সাক্ষ্য প্রদান করেন। এরপরই ক্ষুব্ধ হয়ে সাক্ষী ইউপি সদস্যদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেন ইউপি চেয়ারম্যান। এরই ধারাবাহিকতায় খোরশেদ মিয়ার উপর অতর্কিত হামলা করেন চেয়ারম্যান রেজা ও তার বাহিনী। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান আমির হোসেন রেজা বলেন, ঘটনার সাথে তার কিংবা স্বজনদের কোন সম্পৃক্ততা নেই। সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল হক বলেন, হামলায় আহত ইউপি সদস্যের অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে। জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার মিছিল ও জেলা বিএনপি কার্যালয় ভাংচুরের ঘটনায় দায়েরকৃত দ্রুতবিচার আইন মামলায় আসামী হিসেবে গত সোমবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সদর মডেল থানা পুলিশ উকিলপাড়া থেকে আটক করে। থানাহাজতে আটক থাকার পর ভোররাতে মেডিকেলের কাগজপত্র দেখিয়ে অঙ্গীকা৯রনামা দিয়ে ছাড়া পান তিনি। তলবমাত্র থানায় পুলিশের কাছে স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পন করবেন মর্মে অঙ্গীকার করেন চেয়ারম্যান রেজা।





























