
দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নয়নে প্রত্যেক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য সেবা সংশ্লিষ্টদের নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা। তিনি বলেছেন, চিকিৎসকরা অনেক কাজ করছেন। তবে অনেকজন কর্মস্থলে দেরিতে আসছেন, আগে চলে যাচ্ছেন। প্রয়োজন থাকতে পারে তবে বিষয়গুলো কর্মস্থলে জানিয়ে করলে অনেক সমস্যা কেটে উঠবে।
রোববার (২৪ মার্চ) রাজধানীর মহাখালী জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল অডিটোরিয়ামে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস ২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের চিকিৎসকরা অনেক ভালো কাজ করেন। তবে অনেক জায়গায় অনেক কিছু হচ্ছে না। অনেকে সঠিকভাবে কর্মস্থলে উপস্থিত থকে না। আমি অনেক হাসপাতালে হঠাৎ করেই চলে যাই। অনেক সময় সাধারণ রোগীদের নিয়ে যাই। আমি কিংবা স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা তদারকি করলে দেখা যায় সবাই আপনাদের কর্মের সময়টা তা ঠিকভাবে পালন করছে না। চিকিৎসকদের সুবিধা বাড়ানোর জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। যদি সুবিধা বাড়ালে চিকিৎসকদের কাজ ঠিকভাবে হয় তাহলে আমরা সুযোগ-সুবিধা বাড়াবো।
ডা. রোকেয়া বলেন, আমি হাসপাতালে গেলে অনেকে বুঝতে পারে না কে হেঁটে যাচ্ছে। অনেক অফিসেই আমি হুট করে চলে যাই। আমি চেষ্টা করি হাসপাতালগুলোর কার্যক্রম দেখতে। আমি জানি, রোগীকে কয় জায়গায় ঘুরতে হয়, কেমন করে ভর্তি হতে হয়, কত ধরনের হয়রানি হয়, ভর্তির পরে কি হয় বিষয়গুলো আমি বিশ্লেষণ করে দেখি।
টিবি নিয়ন্ত্রণে সরকারি কার্যক্রম তুলে ধরে তিনি বলেন, যক্ষ্মা প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরি করতে অবশ্যই জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি সংশ্লিষ্টদের কাজ করতে হবে। তারা কাজের কোয়ালিটি বজায় রাখবে। সরকারের লক্ষ্যের সাথে সফলতা তখন পাবেন যখন সবাই কোয়ালিটি বজায় রেখে কাজ করতে পারবেন। সরকার বিনামূল্যে ওষুধ দিচ্ছে আর আপনারা বাকি কাজ করুন।
জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. মাহফুজার রহমান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা প্রমুখ।







































