
বিশেষ প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে পৃথক পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত ও ১ জন আহত হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে চট্টগ্রাম- কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশ খানদীঘির বাঁকে চট্টগ্রাম অভিমুখি যাত্রীবাহি হানিফ বাসের সাথে মোটর বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় মোটরবাইক আরোহি সাতবাড়িয়ার মো. জাবেদ (৩২) ঘটনাস্থলে মারা যায়। অপরদিকে ২৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে উপজেলার শহীদ মুরিদুল আলম (বরকল) সড়কে মোটর বাইক দুর্ঘটনায় আহত-৩ জনের মধ্যে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২ জনের মৃত্যু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশ খানদীঘির বাঁকে চট্টগ্রাম অভিমুখি যাত্রীবাহি হানিফ বাসের (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-২১৩১) সাথে মোটরবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় মোটরবাইক আরোহি পূর্ব সাতবাড়িয়া হাজির পাড়ার মৃত মো. রফিকের ছেলে খাঁনহাটের বীজ ব্যবসায়ী মো. জাবেদ (৩২) বাসের চাকায় পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায়। যাত্রীবাহি বাস হানিফকে স্থানীয়রা আটক করলেও চালক হেলপার পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছেন হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ সালাউদ্দীন চৌধুরী।
এদিকে ২৭ ফেব্রুয়ারি বিকালে লোহাগাড়া আমিরাবাদের দীলিপ ধরের ছেলে সানু ধর (২৫), আনন্দ ধরের ছেলে বিশ্বজিৎ ধর (২৯), মোটর বাইক যোগে চট্টগ্রাম থেকে আমিরাবাদ বাড়ি ফেরার পথে শহীদ মুরিদুল আলম সড়কের বড়ুয়ার টেক এলাকায় বাই সাইকেল আরোহি চন্দনাইশ পাঠানদন্ডীর স^পন দে’র সাথে সংঘর্ষ হয়। এ সময় মোটর বাইক দ্রুত গতির কারণে ২টি সাইকেল দুই দিকে ছিটকে পড়ে ৩ জন গুরুতর আহত হয়। আহতদেরকে চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর পর সানু ধর, রাত ১০ টার স্বপন দে মারা যায়। স্বপন দে চন্দনাইশ পাঠানদন্ডী গ্রামের সুপেন্দু দে’র ছেলে বলে জানা যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম।
এ ব্যাপারে থানা অফিসার ইনচার্জ ইলিয়াছ খাঁন দুর্ঘটনায় ২ জন মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।





























