
প্রকল্পের দুইবছর পার হলেও ঢাকা-সিলেট ছয় লেনর মহাসড়কের সিলেট অংশে অগ্রগতি নেই। জমি অধিগ্রহণসহ নানা জটিলতায় কাজে ধীরগতি। চলতি বছরের ডিসেম্বরে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা থাকলেও এ সময়ের আগে তা শেষ হওয়া নিয়ে রয়েছে শঙ্কা। এতে দুর্ভোগের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
রাজধানীসহ দেশের নানা প্রান্তে যাতায়াতের জন্য উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জনপদের একমাত্র ভরসা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক। প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয় ধরে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও আশানুরূপ কোনো অগ্রগতি নেই এখনো।
সিলেটের শেরপুর থেকে তামাবিল পর্যন্ত ৯২ কিলোমিটারের মধ্যে ২ বছরে কাজ হয়েছে মাত্র ১৪ শতাংশ। এছাড়া মহাসড়কের দুপাশে চলমান ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণসহ নানা উন্নয়নমূলক কাজের কারণের রাস্তায় চলাচল কারি কোটি মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে কয়েকগুণ। পদচারীরা জানান, যানজটের কারণে দিন দিন ভোগান্তি বাড়ছে। আর চলাচলেও বেগ পেতে হচ্ছে।
রাস্তার কারণে কেবল ভোগান্তি নয় বরং সড়ক ব্যবস্থা বেহালে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পুরো অঞ্চলের বাণিজ্য। বাড়ছে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণও। তাই জনকল্যাণের কথা বিবেচনা করে ঢাকা সিলেট মহাসড়কের কাজ দ্রুতগতিতে শেষ করতে নতুন সরকারের আহ্বান তাদের।
এদিকে সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি ফয়েজ হাসান ফেরদৌস বলেন, ‘ব্যবসা বাণিজ্যকে গতিশীল করার জন্য এ সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা দরকার।’
সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি খন্দকার শিপার আহমদ বলেন, ‘সড়কটি যেন তাড়াতাড়ি সংস্কার করা হয়। এমনিতেই আমরা ব্যবসা ও পর্যটনের শিল্পের দিক দিয়ে পিছিয়ে আছি আমরা।’
তবে সব জটিলতা নিরসন করে আগের চেয়ে গতি কিছুটা বেড়েছে বলে মন্তব্য প্রকল্প ব্যবস্থাপকের।
ঢাকা সিলেট ছয় লেন প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক দেবাশীষ রায় বলেন, ‘কন্ট্রাকটরকে জমি বুঝে দেয়ার পর, তাদেরকে তিন বছর সময় দিতে হবে।’
ঢাকা সিলেট মহাসড়কের এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলের জনপদের যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ হবে। একই সঙ্গে বদলে যাবে পুরো অঞ্চলের আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপটও- বলছেন সংশ্লিষ্টরা।




























