
পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমানসহ চার পুলিশ সদস্য এবং উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে পাকুন্দিয়া পৌর সদরের টান লক্ষিয়া ও হাপানিয়া গ্রামের মধ্যে একটি ফুটবল ম্যাচ চলাকালে খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে তা উত্তেজনায় রূপ নেয় এবং সংঘর্ষে পরিণত হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তবে শনিবার দুপুরে আবারও দুই গ্রামের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালায়। এ সময় ওসি এস এম আরিফুর রহমানসহ চার পুলিশ সদস্য এবং উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন বলে জানা গেছে। পরে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
সংঘর্ষ চলাকালে ব্র্যাক কল্যাণ স্কুল, প্রবাসীর বাড়ি ও বিধবার ঘরসহ অন্তত ১০টির বেশি ঘরে ভাঙচুর করা হয় বলে সরজমিনে দেখা গেছে।
বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখছে। তবে এলাকাবাসীর মধ্যে এখনো আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং যেকোনো সময় পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
—




























