
একজন তুমিহীনে
মো. সেলিম হাসান দুর্জয়
০১. <একজন তুমিহীনে>
প্রতিদিন রক্তাক্ত ক্ষুধা শ্বাসরুদ্ধ করে
আমার বেঁচে থাকার পূর্ণিমা চাঁদ
এগিয়ে চলার মস্তিষ্ক কোষ আমার
খুবলে খায় যত্নে গড়া নীলপদ্ম।
আমার বেঁচে থাকার মিছিলে
ইটপাটকেল ছুঁড়ে বাস্তবতার নিষিদ্ধ গদ্য।
আমি তবুও বাঁচতে চাই
খুব করে জমিয়ে বাঁচতে চাই
এক মুহুর্তের জন্য বাঁচতে চাই
আমাার হয়ে বাঁচতে চাই - মিনতিহীন কোন এক মনে
কবে, কবে আসবে তুমি
অক্সিজেন শূন্য আমি- একজন তুমিহীনে।
০২. <একজন তুমিহীনে>
অনেক তো হলো।
আমার সুমতির চরে অশ্রুজলে
শালুক শাপলার চাষ।
পরিণতি।
টকটকে লাল অবহেলা।
রাতের নির্জন পাহাড় কেটে
ট্রেনের আলোয় দখিণা দুয়ারে
নির্ঘুম অনুভবে কাব্যের মেলা
ফলাফলা।
স্বার্থের নিদারুণ খেলা।
পারদসম হৃদয় আজ ক্লান্ত
বড় কান্ত অশান্ত মোহ- শর্তহীন মনে
কবে, কবে আসবে তুমি
চির প্রতীক্ষা ভেঙ্গে- আমি ঠাঁয় দাঁড়িয়ে
অশ্রুসজল একজন তুমিহীনে।
০৩. <একজন তুমিহীনে>
তুমি।
একজন তুমি
আমার হবে শরীরে মনে মননে সঙ্গোপনে।
লাবণ্য লাস্যময় সৌন্দর্যের দেবী - চুলোয় যাক
গুনে গুণান্বিত সুশ্রাব্য বাচনভঙ্গি - নরকে যাক
চাই না চাই না চাই না।
শুধু তুমি চাই আমার তুমি - একক সত্তায় অনড়
ভুলে সকল দাবি।
কবে, কবে আসবে তুমি
গাঘেঁষে ঘুমাবো, নিঃশ্বাসের শব্দে হৃদয় জুড়াবো
বিশ্বাসে গড়বো সন্ধি নিঃশর্তে হবো বন্দী- তোমার সনে
হে নারী, পূর্ণাঙ্গ নারী - আমি আজও উন্মুখ
একজন তুমিহীনে।
০৪. <একজন তুমিহীনে>
মুছে দিয়েছি হৃদয় খুঁড়ে
বেশ্যার নখের আঁচড়ে ক্ষত হওয়া কবিতার খাতা।
কবে, কবে আসবে তুমি
শুভ্র হৃদয়ের এক তা অস্পর্শ কাগজের সনে
আমি আবার নতুন করে লিখবো- আমার দেবীসমগ্র
বসে আছি আমি কবি- একজন তুমিহীনে।
০৫. <একজন তুমিহীনে>
নিঃসঙ্গ একাকিত্ব শ্রেয় শ্রেষ্ঠ
পরিত্যাজ্য দ্বিচারিণী জনে
কবে, কবে আসবে তুমি
উড়িয়ে বিজয় কেতন - একজন তুমিহীনে।
০৬. <একজন তুমিহীনে>
হাহাহা!
পবিত্র।
হাহাহা!
পবিত্র।
বাসি বিছানার চাদর পবিত্র হয় স্নানে।
কুমারী ফুলের মালা শুকায়- একজন তুমিহীনে।







































