
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির উদ্যোগে নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে ফতুল্লার শারজাহান রি-রোলিং মিলস সংলগ্ন বাজারের সামনে এ বৈঠক হয়।
বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী বলেন, খেজুর গাছে ভোট দেওয়া মানেই ধানের শীষে ভোট দেওয়া। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ধানের শীষ প্রতীকে মুফতি মনির হোসেন কাশেমীকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। এবারও বিএনপি চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন জোট থেকে তিনি মনোনীত হয়েছেন। আইনি জটিলতার কারণে এবার খেজুর গাছ প্রতীকে নির্বাচন করছেন।
রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে মুফতি মনির হোসেন কাশেমীকে ৪২ বার রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে এবং সাড়ে চার বছরের বেশি সময় কারাবন্দি রাখা হয়েছে। এমনকি নামাজ ও অজুর জন্য প্রয়োজনীয় পানিটুকুও দেওয়া হয়নি। তবু তিনি বিএনপির আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি।
তিনি আরও বলেন, মুফতি মনির হোসেন কাশেমী নির্বাচিত হলে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূলই হবে তার প্রথম লড়াই। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে খেজুর গাছ প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি।
ফতুল্লা ইউনিয়ন ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাজী আক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং থানা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক সাগর সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাকির হোসেন রবিন, কৃষক দলের আহ্বায়ক জুয়েল আরমান, তাতী দলের সভাপতি ইউনুস মাস্টার ও যুবদল নেতা মো. জয়নাল।
বক্তারা বলেন, দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে জনগণের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকার আহ্বান জানান তারা। একই সঙ্গে দলের ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে নেতাকর্মীদের সক্রিয় থাকার তাগিদ দেওয়া হয়।
বৈঠকের আগে ও পরে নেতারা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং লিফলেট বিতরণ করেন। উঠান বৈঠকে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ ভোটার উপস্থিত ছিলেন।





























