
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকায় গৃহবধূ সাবিনা বেগম (২২) হত্যা মামলার রহস্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী মো. হামিদুল ইসলাম ওরফে রনি (২৭)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তিনি আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
পিবিআই জানায়, গত বুধবার (১৮ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার উত্তর গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা।
এর আগে একই দিন সকালে আলীগঞ্জ পূর্বপাড়া এলাকায় একটি টিনশেড বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত একটি কক্ষ থেকে সাবিনা বেগমের লাশ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পিবিআইয়ের ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ছায়া তদন্ত শুরু করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণে হত্যার সঙ্গে স্বামীর সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন।
পিবিআই সূত্র জানায়, পরকীয়ার সন্দেহকে কেন্দ্র করে দাম্পত্য কলহ চলছিল। ঘটনার রাতে এ নিয়ে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে রনি তাঁর স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে লাশ বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত কক্ষে রেখে দেন।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি পিবিআই তদন্তে নেওয়ার পর এসআই জাহিদ হোসেন রায়হানের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
পিবিআই নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোস্তফা কামাল রাশেদ বলেন, হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।




























