
মোঃ কাওছার আহম্মেদ, গাইবান্ধা ঃ
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী। রোববার দুপুর ১২টায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন ৫০ থেকে ৬০টি কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসাররা ভোট শুরুর আগেই ধানের শীষের পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে ফাঁকা ফলাফল শিটে স্বাক্ষর নিয়ে রাখেন। মূলত কারচুপির উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর নেয়া হয়। এছাড়াও দুপুরের পর ধানের শীষের সমর্থক, ভোটার ও পোলিং এজেন্টদেরকে নানা ভয়ভীতি দেখানো হয় ও তাদের সাথে মারমুখী আচরণ করে দায়িত্বপ্রাপ্তরা। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে খন্দকার জিয়াউল ইসলামকে সুপরিকল্পিতভাবে পরাজিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ভোট গ্রহণের দিন বামনডাঙ্গা এমএম মনোমোহনী উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে দেখতে পাই প্রিসাইডিং অফিসার পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে ভোট শুরুর পূর্বেই তাদের কাছ থেকে স্বাক্ষর করে নেয়া হয়। যা তাৎক্ষনিকভাবে আমি অবগত হই। এমনকি কিছু কিছু কেন্দ্রে ধানের শীষের এজেন্টদের স্বাক্ষর না নিয়েই ফলাফল শিটে কমপক্ষে ৫০টি ভোট কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসাররা যোগসাজস করে আগে ভোট গ্রহণ চলাকালের কোন একসময়ে দাড়িপাল্লার ব্যালট বাক্সে ঢুকানো হয়েছে বলে আমি মনে করছি। সেইজন্য সিসি ক্যামেরার ধারণকৃত ফুটেজের ডকুমেন্ট দেখানোর জোর দাবি জানিয়ে ঘোষিত ফলাফল বাতিল করে পুনরায় গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে সকল কেন্দ্রে পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন বাবু, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. মঞ্জুর মোর্শেদ বাবু, উপদেষ্টা অ্যাড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক বাবুল আহমেদ, সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান প্রমুখ।





























