
মোঃ কাওছার আহম্মেদ, গাইবান্ধা ঃ
গাইবান্ধা জেলায় দিন দিন প্রশিক্ষণ ও সরকারি অনুমোদন ছাড়া ভুয়া পশু চিকিৎসকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে ভুল চিকিৎসার কারণে গবাদিপশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন স্থানীয় খামারিরা।
স্থানীয় খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অনেক অপ্রশিক্ষিত ব্যক্তি নিজেকে পশু চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিয়ে গরু, ছাগলসহ বিভিন্ন গবাদিপশুর চিকিৎসা প্রদান করছেন। সঠিক রোগ নির্ণয় ছাড়াই ওষুধ প্রয়োগ করায় অনেক ক্ষেত্রে পশুর অবস্থা আরও খারাপ হচ্ছে এবং কিছু ক্ষেত্রে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে বলে দাবি করেছেন তারা।
বল্লমঝাড় ইউনিয়ন এর সাকিল নামে একজন খামারি জানান, “আমরা অনেক সময় জরুরি অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসার জন্য স্থানীয় লোকদের সাহায্য নেই। কিন্তু ভুল চিকিৎসার কারণে আমাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তরুন দত্ত বলেন, “প্রশিক্ষণ ছাড়া কেউ পশু চিকিৎসা দিতে পারে না। এটি একটি প্রযুক্তিনির্ভর ও বিশেষায়িত সেবা। ভুয়া চিকিৎসকদের কারণে খামারিদের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ছে। আমরা নিয়মিতভাবে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করছি এবং খামারিদের নিবন্ধিত ভেটেরিনারি চিকিৎসকের মাধ্যমে সেবা নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, “অননুমোদিত চিকিৎসা প্রদানকারীদের বিষয়ে তথ্য পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে। খামারিদের নিরাপদ ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, ভুয়া চিকিৎসা নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও খামারিদের আরও সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি, না হলে প্রাণিসম্পদ খাতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
































