
মোঃ হেলাল তালুকদার, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি ঃটাঙ্গাইল ঘাটাইল আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র ৯ দিন বাকি, আর ভোটের মাঠ এখন উত্তাপ ও উত্তেজনায় দগ্ধ। এই আসনে কেবল প্রতীক বা প্রচারণা নয়—নীরব ভোটের প্রভাবই শেষ মুহূর্তে ভাগ্য উল্টে দিতে পারে।বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস এম ওবায়দুল হক নাসির ধানের শীষ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী লুৎফুর রহমান খান আজাদ মোটরসাইকেল প্রতীকে মুখোমুখি। দুই প্রার্থীর প্রচারণা ভিন্ন কৌশল ব্যবহার করছে—নাছির দলীয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সমর্থন এবং ইউনিয়নভিত্তিক কর্মসূচি দিয়ে ভোটার সংযোগ বাড়াচ্ছেন। আজাদ নীরবভাবে সামাজিক ও স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সংযোগ বাড়াচ্ছেন, যা গ্রামাঞ্চলে ধীরে ধীরে শক্তি ও প্রভাবের ঢেউ তোলে।কিন্তু শেষ হাসির চাবিকাঠি এখনো ঘুমিয়ে আছে—নীরব ভোট। এই ভোটাররা প্রকাশ্যে কথা বলে না,চুপচাপ রয়েছেন,কিন্তু তাদের প্রতিটি হাতের নড়াচড়া মাঠের মানচিত্র উল্টে দিতে পারে। শহর থেকে গ্রামের চায়ের দোকান, হাটবাজার থেকে ইউনিয়ন পরিষদ—সব জায়গায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু এখন একটাই: নীরব ভোট কার পক্ষে যাবে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন,এই নীরব ভোট নাছির বা আজাদের ভাগ্যকে শেষ মুহূর্তে উল্টে দিতে পারে। এরা কোনো রোস্টার বা সমাবেশের মধ্যে আসে না,কিন্তু তাদের শক্তি নির্ধারণ করছে বিজয়ীকে। এই নীরব শক্তিই হচ্ছে শেষ হাসির মন্ত্র,যা কেবল শেষ মুহূর্তে রায় ঘুরিয়ে দিতে সক্ষম।জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ঘাটাইলে মোট ভোটার ৩ লাখ ৮২ হাজার ৭২০ জন, যার মধ্যে পুরুষ ১,৯১,৮৬৪, নারী ১,৯০,৮৫৩ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন।




























