
পিরোজপুর প্রতিনিধি:
পিরোজপুর জেলাবাসীর আস্থা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতীক, জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন যেন এক অনুপ্রেরণার নাম। বিশিষ্ট দানবীর আলহাজ্ব সুবহান-এর সুযোগ্য সন্তান হিসেবে তিনি তাঁর পিতার মানবতাবাদী আদর্শ এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর রাজনৈতিক আদর্শকে দৃঢ়ভাবে ধারণ করে জনসেবা করে যাচ্ছেন।
অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন তাঁর কর্মজীবনে পিতার মানবকল্যাণমূলক দিকনির্দেশনা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেমের নীতিকে পাথেয় করেছেন। সম্প্রতি এক বক্তৃতায় তিনি তাঁর স্বপ্নের কথা ব্যক্ত করে বলেন ,আমি যতদিন বেঁচে আছি, ততদিন আমার পিতার আদর্শ—মানবতার সেবা—এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ—গণতন্ত্র ও দেশের প্রতি ভালোবাসা—এই দুটিকে পাথেয় করে বেঁচে থাকতে চাই। আমার জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত যেন পিরোজপুরের জনগণের কল্যাণে এবং মানবতার সেবায় নিবেদিত হয়, এটাই আমার একমাত্র স্বপ্ন ও ব্রত। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করার কারণেঅধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলে পড়ে তাঁকে কয়েকবার মিথ্যা মামলা ও হামলার শিকার হতে হয়েছে এবং বেশ কয়েকবার কারাবরণ করতে হয়েছে। শত নির্যাতন সত্ত্বেও তিনি তাঁর আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হননি।সম্প্রতি এক বক্তৃতায় তিনি তাঁর অদম্য সংকল্প ব্যক্ত করে বলেন , মামলা-হামলা, কারাবরণ—এগুলো আমার চলার পথে শুধু সামান্য কাঁটা। আমি যতদিন বেঁচে আছি, ততদিন আমার পিতার আদর্শ—মানবতার সেবা—এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ—গণতন্ত্র ও দেশের প্রতি ভালোবাসা—এই দুটিকে বুকে ধারণ করে বেঁচে থাকব। আমি মৃত্যুর দিন পর্যন্ত এই আদর্শ থেকে সরব না। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন জনগণের কল্যাণে কাজ করে গিয়েছে, আমি ও আমার জীবনের যতদিন বেঁচে থাকব পিরোজপুরের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাব।
তাঁর এই অঙ্গীকার পিরোজপুরের রাজনীতি ও সমাজসেবার ক্ষেত্রে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনের নিরলস কর্মযজ্ঞে প্রতিফলিত হয় জনগণের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ।





























