শিরোনাম
মক্রবপুর ষ্টীল ব্রীজ জামে মসজিদের উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত ভোটের সততা নষ্ট হওয়ার বিষয়ে ছাড় দেওয়া হবেনা: নোয়াখালীতে ইসি সানাউল্লাহ পত্নীতলায় জনগণের মুখোমুখি এমপি প্রার্থীরা প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে - মেজর হাফিজ জামালগঞ্জে সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন পত্নীতলায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ লালমোহনে বাস চাপায় মা-ছেলেসহ নিহত-৩ মুরাদনগরে সরকারি গুদামে চুরি করতে গিয়ে ৩ চোর আটক দুই সন্তানসহ ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে মায়ের আত্মহত্যা টাঙ্গাইলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সংসদ সদস্য প্রার্থী জাকিরের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

কাজে ফেরেননি ১৮৭ পুলিশ কর্মকর্তা, অবস্থান নিয়ে গুঞ্জন-ধোঁয়াশা

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:রবিবার ২০ এপ্রিল ২০২৫ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ এপ্রিল ২০২৫ | অনলাইন সংস্করণ

Image

জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে চলে যাওয়া বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ১৮৭ পুলিশ কর্মকর্তা এখনো কাজে ফেরেননি। অন্তর্বর্তী সরকার ও বাহিনীর তরফ থেকে তাদের কয়েক দফায় কাজে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হলেও এ কর্মকর্তাদের সাড়া মিলছে না।

তারা কোথায় আছেন, সে বিষয়ে নানা গুঞ্জন-ধোঁয়াশা ছড়ালেও স্পষ্ট তথ্য নেই কারও কাছে।


এরা কাজে না ফেরার কারণে পুলিশের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর স্বাভাবিক কাজে খানিকটা প্রভাব পড়লেও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বসে নেই। পলাতক এই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হয়েছে বিভাগীয় ব্যবস্থা।


বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) ইনামুল হক সাগর  বলেন, পুলিশের যেসব সদস্য কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।


সূত্র জানায়, নিয়ম অনুযায়ী, নিয়োগপত্রে থাকা ঠিকানা বরাবর পুলিশ সদর দপ্তর থেকে অনুপস্থিত কর্মকর্তাদের কর্মস্থলে যোগদান করার জন্য চিঠি দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো সাড়া না পাওয়ায় অপেক্ষার পর নিয়ম অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।


গত বছরের জুলাইতে সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। প্রথমে এই আন্দোলন ছিল একেবারেই শান্তিপূর্ণ। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার তার ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগকে শিক্ষার্থীদের দমনে মাঠে নামালে সহিংসতার শুরু হয়। আন্দোলনকারীদের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ বলে কটূক্তি করলে শিক্ষার্থীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অগ্নিগর্ভ হলে আন্দোলন দমনে রাষ্ট্রযন্ত্রের সর্বশক্তি প্রয়োগ করে হাসিনার সরকার। একইভাবে লেলিয়ে দেওয়া হয় আওয়ামী লীগের সশস্ত্র ক্যাডারদের। তাদের  উন্মত্ততায় রাজপথে বয়ে যায় রক্তের নদী। এক পর্যায়ে আন্দোলন রূপ নেয় সরকার পতনের এক দফা দাবিতে। তীব্র জনরোষের মুখে শেখ হাসিনা আর টিকতে পারেননি। পালিয়ে যান ভারতে। তার আগে-পরে পালিয়ে যান আওয়ামী লীগের অনেক মন্ত্রী-এমপি ও নেতা-কর্মী। এমনকি পুলিশ-প্রশাসনের অনেক কর্মকর্তাও গাঢাকা দেন।


জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের (ওএইচসিএইচআর) তদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে, জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থান চলাকালে এক হাজার চারশ’র বেশি মানুষ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। যাদের বেশিরভাগই নিরাপত্তা বাহিনীর চালানো সামরিক অস্ত্র ও শটগানের গুলিতে মারা যান। হাজার হাজার ছাত্র-জনতা গুরুতর আহত হয়েছেন। পঙ্গু হয়েছেন অনেকেই। অনেকের দুই চোখ, কারো কারো এক চোখ অন্ধ হয়ে গেছে। ১১ হাজার সাতশর বেশি মানুষকে র‍্যাব ও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।


রাজনীতি সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যে, ওই আন্দোলন দমাতে প্রথম থেকেই বিতর্কিত ভূমিকায় ছিলেন পুলিশের কিছু শীর্ষ কর্মকর্তা। আন্দোলনকারীদের হয়রানি, সমন্বয়কদের হেফাজতে নিয়ে নির্যাতনসহ নির্বিচারে গুলি করে শত শত মানুষকে হত্যার নির্দেশদাতা ওই অতি উৎসাহী কর্মকর্তারাই এখন লাপাত্তা। তাদের অবস্থান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা গুঞ্জনও ছড়ানো হয়েছিল। খোদ পুলিশের মধ্যেই আছে নানা আলোচনা। কারও দাবি, তারা প্রশাসনের সহায়তায় দেশ ছেড়েছেন। কেউ ভেগেছেন আমেরিকায়, কাউকে আশ্রয় নিতে হয়েছে ভারতে।


পলাতক এসব কর্মকর্তার মধ্যে আছেন পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) সাবেক প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, ডিএমপির গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সাবেক প্রধান মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ঢাকা জেলার সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম প্রমুখ।


এসব কর্মকর্তাসহ পুলিশের শীর্ষ অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলাও হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে তারা কোথায় আছেন আর কেন আইনের আওতায় আসছেন না-সে বিষয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।


এখন পর্যন্ত তৎকালীন পুলিশপ্রধান (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক আইজিপি শহীদুল হক ও সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য শীর্ষ কর্তারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।


সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় পুলিশে একচ্ছত্র প্রভাব ছিল সাবেক এসবিপ্রধান মনিরুল ইসলামের। বিসিএস ১৫তম ব্যাচের এ কর্মকর্তার বাড়ি গোপালগঞ্জের মোকসুদপুরে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হওয়ায় পুলিশে অঘোষিত ‘ডন’ ছিলেন তিনি। তার কথার বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন না তৎকালীন আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুন।


অভিযোগ আছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমাতে পুলিশে কট্টর আওয়ামীপন্থি কর্মকর্তাদের নিয়ে দফায় দফায় বৈঠক ও দিকনির্দেশনা দিতেন মনিরুল ইসলাম। সূত্রের দাবি, ৫ আগস্ট বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে শীর্ষ যে কর্মকর্তারা পালিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে যান, তাদের মধ্যে ছিলেন মনিরুল ইসলামও। কিন্তু এখনো তাকে আইনের আওতায় আনতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মাঝে শোনা গিয়েছিল, তিনি ভারতে চলে গেছেন। আবার অজ্ঞাতস্থান থেকে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথাও বলেছেন মনিরুল।


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ছিলেন ‘ভাতের হোটেল’ বলে আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা ডিএমপির ডিবির সাবেক প্রধান হারুন-অর-রশীদ। বিসিএস ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তা ও কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের বাসিন্দা হারুন নিজেকে সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের নাতি পরিচয় দিতেন। এ কর্মকর্তা আন্দোলন দমাতে সমন্বয়কদের হেফাজতে নেওয়া, বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার-নির্যাতনে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। বিরোধী রাজনীতিকসহ বিভিন্ন লোকজনকে ডিবি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে খাবার খাওয়ানোর ছবি-ভিডিও করে তা ছড়িয়ে দেওয়ায় তার কার্যালয় ‘ভাতের হোটেল’ বলে দেশব্যাপী বহুল সমালোচিত হয়।


সূত্র বলছে, ৫ আগস্ট পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেয়াল টপকে বের হয়ে লাপাত্তা হন তিনি। তাকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তিনি সীমান্ত পাড়ি দিয়ে দেশ ছেড়েছেন-এমন তথ্যও ফেসবুকে ছড়িয়েছে। আবার যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন, ছড়িয়েছে এমন খবরও।


হারুন ছাড়াও পলাতকদের তালিকায় রয়েছেন আওয়ামী লীগ সরকারের আরেক পুলিশ কর্মকর্তা অতিরিক্ত ডিআইজি বিপ্লব কুমার সরকার। তাকে শেষদিকে ডিবির যুগ্ম কমিশনারের দায়িত্বে আনা হয়েছিল। ৫ আগস্টের পর তারও হদিস মিলছে না। এরই মধ্যে খবর বেরিয়েছে, বহুল আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার সরকারও অবৈধপথে ভারতে পালিয়েছেন।


এছাড়া প্রলয় কুমার জোয়ারদার, সৈয়দ নুরুল ইসলামসহ অন্য যেসব পুলিশ কর্মকর্তা লাপাত্তা, তাদের বেশিরভাগেরই বিরুদ্ধে বিরোধীমত দমনে নিপীড়কের ভূমিকা রাখার অভিযোগ রয়েছে। কেউ কেউ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে অংশ নিয়ে রাজনৈতিক বক্তব্য-স্লোগানও দিয়েছেন।


৫ আগস্ট স্বৈরাচার হাসিনার পতনের পর ৮ আগস্ট নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। মাঝে এই তিনদিন দেশে কার্যত কোনো সরকার ছিল না। সেনাবাহিনী জানমালের নিরাপত্তায় টহল চালিয়ে গেলেও পুলিশ বাহিনী ছিল প্রায় নিষ্ক্রিয়। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকার প্রথম কয়েক মাসেও পুলিশের কাজে গতি দেখা যায়নি। যদিও সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী মাঠ পরিদর্শনে বের হলে পুলিশে তুলনামূলক সক্রিয়তা আসে।


ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন পরবর্তী নিষ্ক্রিয়তার জন্য পুলিশে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রভাবের নিয়োগকে দায়ী করেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, যেসব ছাত্রলীগকর্মী বা আওয়ামী পরিবারের সদস্যরা রাজনৈতিক পরিচয়ে নিয়োগ পেয়েছিলেন, তারা অন্তর্বর্তী সরকারকে অসহযোগিতার মনোভাব থেকে নির্লিপ্ত থাকেন। অপরাধে জড়িতরা গা ঢাকা দেন।


৯ ডিসেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এস এম সাজ্জাত আলী বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিতে তাদের ১৫ বছরের শাসনামলে ৮০ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য নিয়োগ হয়েছে। ছাত্র আন্দোলনের সময় পেশাগত দায়িত্বের বাইরে যারা কাজ করেছে তাদের অনেকেই পালিয়ে গেছে এবং পুলিশ তাদের অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। 


আরও খবর




মক্রবপুর ষ্টীল ব্রীজ জামে মসজিদের উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত

ভোটের সততা নষ্ট হওয়ার বিষয়ে ছাড় দেওয়া হবেনা: নোয়াখালীতে ইসি সানাউল্লাহ

ফতুল্লায় পাইপ গান, ককটেল ও গুলি উদ্ধার

ফতুল্লায় প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন আওয়ামী লীগ কর্মী

ইসলামী আন্দোলনের উপজেলা সেক্রেটারিসহ ৫০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান

গাজীপুরে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মা, মেয়েসহ নিহত-৩

বাগাতিপাড়ায় আ’লীগ নেতার দখলে ভ্যানচালকের একমাত্র রাস্তা, ৯৯৯-এ অভিযোগেও মিলেনি সেবা

উলিপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

পুতুলকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য বিএনপি নেতার কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের জবাব মানুষ ব্যালটের মাধ্যমেই দেবে : ব্যারিস্টার পুতুল

পত্নীতলায় জনগণের মুখোমুখি এমপি প্রার্থীরা

প্রফেসর ইউনুসের সরকারের সময় দেশে সুবিচার কায়েম শুরু হয়েছে - মেজর হাফিজ

জামালগঞ্জে সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন

পত্নীতলায় প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

লালমোহনে বাস চাপায় মা-ছেলেসহ নিহত-৩

মুরাদনগরে সরকারি গুদামে চুরি করতে গিয়ে ৩ চোর আটক

ব্যবসায়ীর চোখ উপড়ে ও লিঙ্গ কর্তন করে হত্যা

খালেদা জিয়া মারা গেছেন

জামালগঞ্জে ডেবিল হান্ট অপারেশনে যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

সিংড়া উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত অধ্যক্ষ রকিবুল ইসলাম

কক্সবাজারে অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি: মাঠে নেমেছেন আপেল মাহমুদ

ঘাটাইলে শীতে খেজুর রস খেয়ে তৃপ্তি পাচ্ছে রসপ্রেমীরা

আখাউড়ায় খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিলে বিএনপির এমপি প্রার্থী কবির আহমেদ

মনোনয়ন বৈধ হলেও ধোঁয়াশা: সুনামগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির দুই প্রার্থী ঘিরে আলোচনা

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কমনওয়েলথ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের শোক

স্বতন্ত্র প্রার্থী সিগমার শোডাউনে কারণে আতঙ্কে কোমলমতি শিশু ও বৃদ্ধারা

সেনবাগ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক বেলাল হোসেন শামীম

সিরাজগঞ্জ–৩ আসনে ১২ দলীয় জোটের চূড়ান্ত এমপি প্রার্থী ড. আব্দুস সামাদ

সেনবাগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৪ ফার্মেসি মালিককে জরিমানা

নাইয়ারা দেশ প্রবাস উন্নয়ন ফোরামের চতুর্থ মেয়াদের কমিটি অনুমোদন

চলমান সংকট নিরসনে তৌহিদ ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের বিকল্প নেই শীর্ষক কর্মী সম্মেলন


এই সম্পর্কিত আরও খবর

দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে: তারেক রহমান

নির্বাচনে লেভেলে প্লেয়িং ফিল্ড নেই: নাহিদ ইসলাম

নীরব এলাকা বাস্তবায়নে কঠোর আইন প্রয়োগ করা হবে: রিজওয়ানা হাসান

ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে নির্বাচন কমিশন: সিইসি

গ্যাস ও এলপিজি সংকটে জনজীবন বিপর্যস্ত

বাইকে কর্মসংস্থান হাজারো তরুণের

রাজনীতিকে ‘সারভাইভাল ম্যানিফেস্টো’র পথে হাঁটার আহ্বান ড. কামরুজ্জামানের

অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান সুজনের

ঢাকায় অপ্রতিরোধ্য অটোরিকশা, কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া বিমানের চেয়েও বেশি

নির্বাচন ঘিরে বডি ক্যামেরা সংকট; দায়িত্বে থেকেও বন্ধ অনেকের ক্যামেরা