
সফিকুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টারঃ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা-৩ (মুরাদনগর) আসনে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এই আসনের প্রার্থীদের প্রচারণাকে কেন্দ্র করে মুরাদনগরের প্রতিটি গ্রাম ও জনপদ এখন উৎসবমুখর। ভোটারদের বড় একটি অংশের আগ্রহের জায়গায় রয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। কারণ, দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। এই প্রবীণ নেতার এবারের লক্ষ্য ডাবল হ্যাটট্রিক জয়। শুধু তিনিই নন-কায়কোবাদের ডাবল হ্যাটট্রিকের অপেক্ষায় রয়েছেন নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা।
বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, প্রচারণার শুরুর দিন থেকেই কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ প্রতিদিন একাধিক নির্বাচনী জনসভা ও সমাবেশে অংশগ্রহণ করে যাচ্ছেন। তিনি যেখানেই যাচ্ছেন, সেখানেই মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। প্রতিটি নির্বাচনী জনসভা রূপ নিচ্ছে জনসমুদ্রে।
সোমবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জনসভা ও পথসভা করেছেন তিনি। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে প্রতিটি এলাকায় ছিল মানুষের ঢল। নির্বাচনী পথসভায় নারী পুরুষ ও তরুণদের উপস্থিতি জনসভায় রুপ নেয়। দাদাভাই দাদাভাই, ধানের শীষ স্লোগানে মুখর হয়ে উঠে গ্রামাঞ্চল। সাধারণ ভোটারেরা বিশ্বাস করেন দাদাভাই ষষ্ঠবারের মতো বিজয়ী হয়ে ডাবল হ্যাটট্রিক করবেন।
সরেজমিনে প্রচারণায় কায়কোবাদের কর্মী-সমর্থকদের উৎসাহও লক্ষণীয়। বিভিন্ন এলাকায় মিছিল, পথসভা ও গণসংযোগের মাধ্যমে তারা ভোটারদের কাছে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে সমর্থন চাইছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এখন পর্যন্ত পাঁচবার বিজয়ী হয়েছেন কায়কোবাদ। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, এলাকায় তাঁর ব্যক্তিগত যোগাযোগ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক নির্বাচনী প্রচারণাকে আরও শক্তিশালী করেছে। পাশাপাশি তিনি এবং তাঁর পক্ষে নেতা–কর্মীদের ধারাবাহিক প্রচারণা ভোটারদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। যদিও বর্তমান পরিস্থিতিতে এবারের নির্বাচন কায়কোবাদের জন্য কিছুটি চ্যালেঞ্জিংও বটে।
উপজেলা সদর এলাকার বাসিন্দা বিএনপি নেতা মীর হোসেন বলেন, এলাকায় দীর্ঘদিনের উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কই তাঁকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলেছে। এবার জয়ী হলে তিনি ষষ্ঠবারের মতো সংসদে যাবেন, যা আমাদের জন্য হবে এক ঐতিহাসিক ‘ডাবল হ্যাটট্রিক’। কাউছার নামের একজন ব্যবসায়ী বলেন, কায়কোবাদ দাদার রয়েছে একটি বিশাল ও সুসংগঠিত ভোটব্যাংক। এই আসনে তাঁর ব্যক্তি ইমেজ এবং দলের শক্তিশালী অবস্থান তাঁকে জয়ের দৌড়ে এগিয়ে রাখছে। জনসভাগুলোয় বিপুল জনসমাগম মূলত তাঁর সেই জনপ্রিয়তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটছে।





























