
.
স্টাফ রিপোর্টার:-
লক্ষ্মীপুর কমলনগর উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ও সদর উপজেলা আওয়ামী কৃষকলীগের সহ-সভাপতি আজিজুল হক ফারুকের ছোট ভাই স্থানীয়
তোরাবগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন উপজেলার তোরাবগঞ্জ পূর্ব বাজারের ওয়াপদা খাল ভরাট করে মার্কেট নির্মাণের কাজ শুরু
করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর বিশাল এই খাল ভরাটের ফলে বর্ষা মৌসুমে অন্তত ১০ হাজার লোক পানি বন্দী হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।সরে
জমিনে ঘুরে জানা যায়,কমল নগরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে পানি নিষ্কাশনের জন্য একমাত্র খাল মুছার খাল।এই খালের সঙ্গে সংযোগ অংশ তোরাবগঞ্জ পূর্ব
বাজারের ওয়াপদা খাল।এই ওয়াপদা খালকে বিভিন্ন ব্যক্তি নিজেদের মনে করে যে যার মতো করে দখলপূর্বক ভরাট করে দোকানপাট নির্মাণ করে বাজার
দোকান মালিকানার গর্বিত মালিক বনে যান।তারই ধারাবাহিকতায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বাঁধ নির্মাণের করে মুসার খাল ও ওয়াপদা খালের মোহনা অংশে ইট বালি মাটি ভরাট করে মার্কেট নির্মাণের কর্মযজ্ঞ চালিয়েছেন
উপজেলার তোরাবগঞ্জ এলাকার এক সময়ের আওয়ামী লীগের দাপুটে শীর্ষ নেতা আজিজুল হক ফারুকের ছোট সহোদর একই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি
মোসলেহ উদ্দিন।প্রায় ১০০ফুট দৈর্ঘ্য আর ৮০ফুট প্রস্তের বিশাল খাল দখল করে আওয়ামী পরিবারের এই উদীয়মান বিএনপি নেতা মার্কেট নির্মাণের কাজ শুরু
করেছেন তীব্র গতিতে।দিনরাত অনেকগুলো ট্রাক্টরটলি আর ট্রাকে চেপে ইট মাটি তাঁর ভরাটের ফলে স্থানীয় জনগণের মাঝে ক্ষোভ ও বর্ষা মৌসুমে পানিতে নিমজ্জিত হওয়ার চরম আশংকা দেখা দিয়েছে।স্থানীয় বাহার উদ্দিন জানান,বিএনপি ভার্সনে আওয়ামী লীগ নেতা ও বিএনপির উপর
অত্যাচারী পরিবারটি রাজনৈতিক পট পরিবর্তনকে পুঁজি করে রাতারাতি মুসার খালের সংযোগ ওয়াপদা খাল ভরাট করে তোরাবগঞ্জ অঞ্চলের হাজার হাজার লোককে কৃত্রিম বন্যার
মুখে ঠেলে দেয়ার পাঁয়তারা করছেন।খাল ভরাট করে দোকান নির্মাণে বিষয়ে স্থানীয় জহির উদ্দিন জানান,মোসলেহ উদ্দিনের পরিবার আওয়ামী লীগের পুরো ১৬ বছরের শাসনামলে বিগত সরকারের সকল সুবিধা গ্রহণ করে
থাকেন তাঁর বড় ভাই আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা।তিনি বিএনপির পদ যে করেই হোক ভাগিয়ে নিয়ে ৫আগস্টের পর থেকে তিনি তোরাবগঞ্জের বাজারের আনাচে কানাচে দোকান
ভিটি দখলে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। তিনি বাজারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খালের মুখে বাঁধ নির্মাণ করে মার্কেট তৈরি করছেন এতে করে বর্ষা মৌসুমে হাজার হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে।এ বিষয়ে কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও
অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার(ভূমি)রাহাত উজ জামান বলেন,আমরা অভিযোগ পেয়ে ইতোমধ্যে কাজ বন্ধ রাখার জন্য বলে এসেছি।তিনি আরো বলেন জায়গাটা যেহেতু পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন সেহেতু তাঁদের বক্তব্য নেয়া যেতে পারে। এ
দিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড জেলা প্রকৌশলী নাঈমুল ইসলামের কাছে খাল দখল-ভরাট সংক্রান্তে জানতে চাইলে তিনি সরাসরি কোন উত্তর না দিয়ে কমলনগরের দায়িত্বে নিয়োজিত অপর কর্মকর্তা উপ সহকারী প্রকৌশলী পানি উন্নয়ন বোর্ড আবদুর রহিমের সঙ্গে
কথা বলতে বললে তিনি জানান, আমরা অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিক কাজ বন্ধ করার জন্য বলে এসেছি।কাজ বন্ধ না হলে আমরা সেনাবাহিনীসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর শরণাপন্ন হয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেবো। অভিযুক্ত মোসলেহ উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি কোন উত্তর দিতে সম্মত হয়নি।





























