
আকন্দ সোহাগ,মাদারগঞ্জ
জামালপুরের মাদারগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ভাতিজাদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ব্যথায় কাতরাচ্ছেন চাচা রফিকুল ইসলাম ( ৫৪)। ভোক্তভোগী রফিকুল ইসলাম উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া এলাকার মৃত আশেক মাহমুদ মুন্সির ছেলে। ঘটনার পর ভোক্তভোগী রফিকুল ইসলামের স্ত্রী
বাদী হয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ
দিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মডেল থানার উপ পরিদর্শক শামীম আল কবির। অভিযুক্তরা হলেন,ভাতিজা মোঃ নজমী আলম ওরফে শাওন,মোঃ মাহফুজুর রহমান,মোঃ নজরুল ইসলাম, ভাতিজি মোছাঃ রুপালী,মোছাঃ রত্না বেগম ও ভাজিতা নজরুল ইসলামের ছেলে আতিক হাসান ওরফে রাব্বি। অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে,ভোক্তভোগী চাচা রফিকুল ইসলামের সাথে তার সৎ ভাই মৃত সামসুল হক মুন্সির ছেলেদের সাথে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিলো। বিষয়টি সমাধানের জন্য গত ১৩ আগষ্ট শালিসি বৈঠক ডাকা হয়। সেই সাথে সিমানা নির্ধারনের জন্য জমির সার্ভেয়ার ডেকে আনা হয়। সার্ভেয়ার সিমানা নির্ধারন করতে গেলে অভিযুক্তদের সাথে কথাকাটাকাটি হয়। বিষয়টি নিয়ে ভোক্তভোগী চাচা রফিকুল ইসলাম প্রতিবাদ করতে গেলে অভিযুক্তরা তার উপর হামলা চালান। এসময় প্রধান অভিযুক্ত নজমী আলম ওরফে শাওন তার পাশে থাকা ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করলে মাথায় গুরুতর জঘম হয়। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে মাদারগঞ্জ ১০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। মাদারগঞ্জ ১০০ শয্যা হাসপাতালের জরুরী বিভাগের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক দিল আফরোজ নিশা বলেন,রফিকুল ইসলামের মাথার বামপাশে জঘমে ৬টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি শঙ্কামুক্ত রয়েছেন। ভোক্তভোগী রফিকুল ইসলামের স্ত্রী মোর্শেদা বেগম বলেন,আমার স্বামীকে খুন করার উদ্দেশ্যে তার ভাতিজারা হামলা চালায়। আমি এর বিচার চাই। তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে ৩ নম্বর অভিযুক্ত নজরুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি দাবি করেন তার চাচা রফিকুল ইসলাম আগে তাদের মারতে আসে। পরে সংঘর্ষ বাধলে তিনি আহত হোন। এ ঘটনায় তাদের ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। মাদারগঞ্জ মডেল থানার উপ পরিদর্শক ও অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা শামীম আল কবির বলেন,এ বিষয়টি আমাকে তদন্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। অতিদ্রুত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।





























