
শফিকুল ইসলাম
কুমিল্লা তিতাস উপজেলার- দুধঘাটা নূরে মোহাম্মদী (সাঃ) দাখিল মাদ্রাসায় গত ২৯ বছর সম্মানের সাথে কর্মরত প্রধান শিক্ষক (সুপার) জনাব মোঃ ইব্রাহিম খলিল কে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠান থেকে বিদায় করার উদ্দেশ্যে সভাপতি পরিবার নানান মিথ্যা অভিযোগ, অপপ্রচার ও মানহানিকর কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পূর্ববর্তী সকল চক্রান্তে সুপারকে দোষী সাব্যস্ত করে বিদায় করতে ব্যর্থ হয়ে সবশেষে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সরকারি টাকা আত্মসাৎ এর মিথ্যা অপবাদ ছড়িয়ে তাঁকে চাকরিচ্যুত করার ষড়যন্ত্র করছে, মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ করা সহ তদন্তবিহীন শোকজ ও মনগড়া রেজুলেশন তৈরি করে তাকে সাময়িক বরখাস্তের ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর কুমিল্লা থেকে মাদ্রাসার বাউন্ডারি ও গেইট নির্মাণের জন্য ১৪,২৫,০০০/- টাকা বরাদ্দ হয় (২৯ অক্টোবর ২০২৪)। এবং সুপারের স্বাক্ষরকে নকল করে মোট তিনজনের যৌথ স্বাক্ষরে বিল পাশ করানো হয়। যা খুবই নিন্দনীয়।
⚫স্বাক্ষর গ্রহণের দায়িত্বে থাকা উপজেলা উপসহকারী ইঞ্জিনিয়ার জনাব মোঃ বজলুর রহমান ও সাব কন্ট্রাক্টর জনাব মোঃ উজ্জ্বল বাচ্চু, প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মিলনায়তনে সকল শিক্ষক কর্মচারীর সামনে সুপারের কাছ থেকে কোন স্বাক্ষর নেননি, সুপার নির্দোষ মর্মে তাদের যৌথ স্বাক্ষরে একটি লিখিত প্রত্যয়নপত্র দেন। এবং বলেন যখন বিলের কপিটি ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব এর কাছে জমা দেন, তখন সেখানে সুপারের স্বাক্ষর ছিল না।
⚫ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মাহবুবুর রহমান নিজের দোষ ঢাকার জন্য মিথ্যা বলেন। সকল শিক্ষকদের সামনে সুপারের সাথে ফোনে কথোপকথনে কাজের ব্যাপারে জানতে চাইলে সুপার জানান কাজ এখনো শুরুই হয়নি।
⚫ ২৪/০৮/২৫ইং ও ২৩/০৯/২৫ইং স্বাক্ষর নকল করার বিষয়ে প্রধান প্রকৌশল দপ্তরে অভিযোগ পত্র নিয়ে গেলে প্রধান এক্সেন্ট জানান, টাকাটা প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের কাছেই জমা আছে, খুব শীঘ্রই কাজ শুরু করবেন, এবং একইদিন ঠিকাদার জনাব মোঃ বিল্লাল হোসেন জানান- সুপারের স্বাক্ষর আমি করিনি, তবে হয়তো আমার ম্যানেজারদের মধ্যে কেউ একজন স্বাক্ষর করেছে।” কয়েকদিন পর তিনি ফোনে জানান- দেলোয়ার হোসেনের ঢাকার শরীফ মেনশন অফিসে আমি কয়েকবার গিয়েছি। টাকাটা ল্যাপস হয়ে যাবে বলে তাদের দুই ভাইয়ের সাথে পরামর্শ করেই বিল পাস করানো হয়েছে।”
⚫ ২৯/১০/২৫ইং উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, মাদ্রাসার সভাপতি ও সুপারের উপস্থিতিতে টাকা আত্মসাৎ এর বিষয়টি প্রমাণিত হয়নি, এবং প্রধান প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের কাছেই সকল টাকা জমা আছে মর্মে ৫/১১/২৫ই বাউন্ডারির কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এবং যথানিয়মে উক্ত তারিখেই ভূমি কর্মকর্তা ও মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের উপস্থিতিতে নির্মাণ কাজ আরম্ভ হয়। অতঃপর নতুন পরিকল্পনায় ০৪/১১/২৫ তারিখে—সুপারের অনুপস্থিতিতে একটি মনগড়া মিটিং করে তাকে সাময়িক বরখাস্ত ও শোকজ করা হয়। ইহার কারণ জানতে চাইলে সুপার জানানঃ
♠️ সভাপতি পরিবারের আধিপত্য ও তাদের সাথে সুপারের দ্বন্দ্বের কারণ-
◼️১) ১৩/১০/২৫ইং– আমার স্বাক্ষর নকল করে বিল পাশ বিষয়ে তদন্তবিহীন কমিটির সদস্য সচিব তথা সুপারের স্থলে সভাপতি আয়োজিত নোটিশে অধিবেশনের রেজুলেশন লিখার আগেই সকল কমিটির সদস্যদের সাইন নিয়ে ঘরে বসে আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে প্রমাণিত আখ্যা দিয়ে রেজুলেশন ও শোকজ পত্র লিখে।
◼️২) ১৫/১০/২০২৫–মিথ্যা রেজুলেশন ও শোকজের প্রতিবাদ করাতে নাইট গার্ড (জসিম) চেয়ার থেকে দাড়িয়ে হাত নেড়ে অশ্লীল গালমন্দ শুরু করে। আমি তখন নাইটগার্ড কে বললাম, তুমি তোমার জায়গায় থাকো, তখন সে বলে-"তুই কোন কথা বলবি না, আগেরবার মাইর খাইয়াও এখনো বেলাজার মতো চাকরি করছ, এহন এলাকার মানুষ ডাইকা আবার মুরামু”। আমার স্ত্রী তাকে থামাতে চাইলে সে চোখ রাঙিয়ে উগ্রভাবে বলে "বেশি বাড়াবারি করবেন না, আপনি একদম চুপ। সভাপতি ক্ষেপে বললো- সে নাইটগার্ড হলেও আমাদের লোক, আমাদের রিপ্রেজেন্টেটিভ, সে কথা বলবেই। আমাকে সভাপতি ও নৈশপ্রহরী নাকের ডগায় হাত এনে আক্রমণ করতে উদ্যত হলে সকল শিক্ষকদের বাধার মুখে বাহির হয়ে যায়।
◼️৩) ২২/১০/২০২৫– আমার স্বাক্ষর নকল করে উক্ত বিল পাশ বিষয়ে উপজেলা, জেলা প্রশাসক,ও জেলা দুদক সহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন দাখিল করেছি। আবেদন নাম্বারঃ ১৯৯২২৬
◼️৪) ৩০/১০/২০২৫ — কমিটির নোটিশ খাতায় সম্পূর্ণ বিপরীত ও যড়যন্ত্র মূলক আলোচ্য বিষয় লিখে আমার স্বাক্ষর চায় এবং মাদ্রাসার বিগত ৩৮ বছরের সকল অধিবেশনের রেজুলেশন খাতা নিয়ে যায়। ০৪/১১/২০২৫ — আমার অনুপস্থিতিতে সভা করে আমাকে তদন্তবিহীন মিথ্যা অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
◼️৫) ০৫/১১/২৫– এ বরাদ্দকৃত কাজে বাধা দিয়ে কিছু সাংবাদিক ও ৩-৪ জন দুদকের লোকের সামনে এলাকার ৩০/৪০ জন লোক এনে আমার বিরুদ্ধে সম্মানহানীকর ও ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা অপবাদ আবারও গণমাধ্যমে ছড়াচ্ছে, যা আমার সামাজিক ও পেশাগত সুনাম নষ্ট করছে। এরই মধ্যে সভাপতি মাধ্যমিক স্যারকে বলেন সুপার এর প্রতিষ্ঠানে আসা নিরাপদ নয়, চলার পথে পূর্বের মতো কিছু ঘটলে আমাকে কিছু বলতে পারবেন না। পরক্ষণেই আমার স্ত্রী মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও সভাপতিকে মিডিয়া ও গণমাধ্যমে এসব মিথ্যাচার ও গুজব ছড়ানো বন্ধ করার অনুরোধ করলে সভাপতি বলেন- “শান্তি চাইলে সুপারকে পদত্যাগ করতে বলেন”।
◼️৬) ০৭/১১/২০২৪— মাদ্রাসার নামজারি খতিয়ান হালনাগাদ না থাকায় শিক্ষাবোর্ড থেকে নবায়ন বাতিল। খারিজ করতে দিচ্ছে না, বিগত ৭ বছর নবায়ন ব্যাহত।
◼️৭) ১১/০১/২০২২ — তৎকালীন সভাপতি ভূমি কর্মকর্তার নিকট জবাবের ব্যাখ্যা প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের পকেট কমিটি গঠন ও অনৈতিক কিছু গোপন কর্মকাণ্ড প্রকাশের ফলে আমি ও আমার পরিবারের উপর হামলা করায় এবং মামলা হয়। উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সাধারণ শিক্ষকবৃন্দ সেই বর্বরোচিত হামলার বিচার চেয়ে উপজেলা পরিষদে মানববন্ধন করেন।
◼️৮) ২৪/০৭/২০১৯ — তারা হীন স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে মাদ্রাসার সংলগ্ন বাজার ভাঙচুর করায় উল্টা ফাসাতে মাদ্রাসার অফিসের আলমিরা হতে ৭৫০০০/- টাকা ডাকাতি হয় এই মর্মে ১৮ জনের নাম লিখে তিতাস থানার ওসি সাহেবকে হাত করে ফোনে অবাচ্য হুমকি দিয়ে শিবপুর স্টেশনের জামে মসজিদের ভিতর থেকে এজাহারে আমার স্বাক্ষর নেয়, কয়েকটি মিথ্যা জিডি করায়।
◼️৯) ০৪/০৯/২০১৮ — ঢাকা মাদ্রাসার ভবনের আবেদনের কথা বলে (রেজাউল হক বাহার) মাদ্রাসার নামের খালি দুটি মূল প্যাডে আমার অনিহা সত্ত্বেও স্বাক্ষর নিয়ে যায়। আর এবার বলেন- আপনি বাঁচতে পারবেন না, এখানে কিভাবে চাকরি করেন আমি দেখবো"। ২২/০২/২০১৮ — দেলোয়ার হোসেন মাদ্রাসার ১৫৬ শতক জমির সকল দলিলের ফাইলটি নিয়ে যায়। এবং বলেন- “মাদ্রাসার দলিল, খতিয়ান, এফডিআর এগুলো আপনার কাছে থাকবে কেন? আপনি চাকরি করবেন, বেতন নিবেন, এগুলো মতিঝিল অফিসে আছে”।
◼️১০) ২৫/০৭/২০১২—মাদ্রাসার সাধারণ তহবিল এফডিআর ভাঙিয়ে মুনাফা সহ ৪০,৭৯০/- টাকা ০১ মাসের জন্য হাওলাত নেয়, আজও ফেরত দেয়নি। মাদ্রাসার সংরক্ষিত তহবিল ৫০,০০০ টাকার এফডিআর টাকা উত্তোলনের জন্য চেক এ জোরপূর্বক আমার স্বাক্ষর নিয়ে যায়।
◼️১১) ২৬/০৯/২০১০ (সকাল ৮:০০) — নিজের গৃহ তালা বন্ধ করে মিথ্যা ডাকাতি মামলা করা হয়েছে; আমাকে সাক্ষী দিতে জোর করা হয়; আমি অপারগতা প্রকাশ করায় নানা প্রতিকারমূলক ও হুমকিস্বরূপ ঘটনা ঘটেছে।
◼️১২) নাইট গার্ডের অসদাচরণে অতিষ্ঠ হয়ে প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর ২৮/০৭/২০১৮ইং অভিযোগ করেন। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে অফিস তাকে চিঠি প্রদান করেন।
⚫সুপারের বক্তব্যঃ
“আমি সকল দপ্তরে আবেদন দিয়েছি, স্থানীয় ও উপজেলা পর্যায়ে ইঞ্জিনিয়ার ও ঠিকাদার কর্তৃক বারংবার নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ার পরও তারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে সম্পূর্ণ মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বরখাস্ত করেছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে কিছু স্থানীয় সাংবাদিকদের ও লোকজন ব্যবহার করে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার করছেন। এর মাধ্যমে আমার সামাজিক মর্যাদা ও পেশাগত সুনাম নষ্টের চেষ্টা চলছে।” আমার ২৯ বছরের চাকুরী জীবনে আমি কখনোই অনিয়ম ও দুর্নীতিকে সঙ্গ দেইনি। আমি চাই প্রশাসন ও শিক্ষা অধিদপ্তর এই অন্যায়ের তদন্ত করুক, যেন হস্তলিপি(স্বাক্ষর) যাচাই করা হয়, এবং মিথ্যা রেজুলেশন ও বানোয়াট নিউজের মাধ্যমে যারা সম্মানহানি করেছে তাদের বিচারের মুখোমুখি আনা হয়। জাতির মেরুদন্ড গড়ার কারিগরদের আর যেন মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে অসম্মানিত ও অত্যাচারিত না হতে হয় এ বিষয়ে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
⚫এলাকাবাসীর বক্তব্যঃ
একাধিক এলাকাবাসী জানান, দুধঘাটা গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলাম, দড়িগাঁও গ্রামের মোঃ বশির উদ্দিন, চরকাঠালিয়া গ্রামের মোঃ ফারুক মিয়া মেম্বার, নন্দীরচর গ্রামের ফরিদ আহমেদ মুন্না জানান,এই সানোয়ার হোসেন পরিবার কমিটি গঠনের গোপনীয়তা, মিথ্যা ডাকাতি মামলার বাদী, গৃহডাকাতি মামলার সাজানো স্বাক্ষী, মিথ্যা কয়েকটি জিডি জোরপূর্বক সুপারকে দিয়ে করায়। এই সব কিছুর জের ধরে উনারা গত ১১/০১/২০২২ সালে সুপার ও উনার স্ত্রীর উপর হামলা করেছে। গ্রামের সাধারণ জনগণেরও নানা অত্যাচার ও ক্ষতি করেছে। মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটিতে বছরের পর বছর শুধু তাদের পরিবারের সদস্যরাই থাকে, আমরা কেউ কমিটির বিজ্ঞপ্তি জানতেও পারি না, কখন যেন কমিটি গঠন হয়ে যায়। সাধারণ শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা এবং দাতা সদস্যরা আসতে পারেন না। কারণ সভাপতি ও তার পরিবার একক আধিপত্য চালাচ্ছে। আমাদের গ্রামের সরকারি অনেক খাসের জমি তারা জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে। আমরা কিছু গ্রামবাসী তাদের অনৈতিক কাজে দ্বিমত করায় আমাদের ছেলে মেয়েরা এই প্রতিষ্ঠানে পড়তে গেলে তাদেরকে ভর্তি করানো হয় না, মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বের করে দেয়া হয়। তাদের ঘর ভর্তি বড় বড় লোহার গ্ৰামীন অস্ত্র, টেডা, জুইত্তা। উপজেলা পর্যায়ে আমরা কিছু গ্রামবাসী তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলাম। এই মাদ্রাসার সুপার খুবই সৎ মানুষ, উনি কোনদিন আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেন নাই। এত বছরে কোনদিন ওনার কোন কেলেঙ্কারি শুনি নাই। সত্যি বলতে এই সুপারের গ্রামের এলাকায় তার বাপ-দাদারা জমিদার ছিলেন, উনি ওনার স্ত্রী ছাড়া বাকি সবাই আমেরিকাতে থাকে। তাছাড়া সকল শিক্ষক ও আমাদের সামনেই দুজন ইঞ্জিনিয়ার এসে লিখিত দিয়ে গেছে যে সুপার কোন স্বাক্ষর করে নাই। উনি যে নির্দোষ এটা আমাদের সবার কাছেই পরিষ্কার। নাইট গার্ড জসিম মানুষদেরকে পিছন থেকে শিখায় দেয়, তারপর ভিডিও করে মিথ্যা নিউজ করে। তবে এবার ওনার প্রতি যা হয়েছে তা খুবই অন্যায় ও ষড়যন্ত্র এবং নিন্দনীয় কাজ। আমরা চাই কে বা কাহারা সরকারি টাকা আত্মসাৎ করেছে তাদেরকে তদন্ত ও বিচারের আওতায় আনা হোক।
⚫অভিযুক্ত সভাপতি মোঃ সানোয়ার হোসেন সরকার এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি মন্তব্য দিতে রাজি হননি।
⚫শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষায়, মিথ্যা অপপ্রচার বন্ধে এবং সত্য উদঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।





























