
স্টাফ রিপোর্টার: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জ-১ আসনে রাজনৈতিক উত্তাপ যখন ধীরে ধীরে বাড়ছে,ঠিক তখনই একই দল থেকে দুইজন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল,আলোচনা ও ধোঁয়াশা।শনিবার (৩ জানুয়ারি) সুনামগঞ্জের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে সুনামগঞ্জ-১ আসনের বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জননেতা কামরুজ্জামান কামরুল এবং আনিসুল হক—এই দুইজনের মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী উপাধ্যক্ষ মাওলানা তোফায়েল আহমদ খাঁন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম চৌধুরীর মনোনয়নপত্রও বৈধতা পায়।একই আসনে বিএনপির দুই প্রার্থীর বৈধতা ঘোষণার খবরে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয় নানা জল্পনা-কল্পনা। তৃণমূল পর্যায়ের বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে বিভ্রান্তি। কে হবেন চূড়ান্ত দলীয় প্রার্থী,কার পক্ষে যাবে দলীয় মাঠপর্যায়ের সমর্থন—এ প্রশ্ন এখন সবার মুখে মুখে।সাধারণ ভোটাররা বলছেন,একই দল থেকে একাধিক প্রার্থী থাকায় ভোটের হিসাব-নিকাশ জটিল হয়ে উঠছে। অনেকেই বিষয়টি নিয়ে আগ্রহের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তাদের মতে,শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্ত ও কেন্দ্রীয় নির্দেশনাই ভোটের মাঠে বড় প্রভাব ফেলবে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে,একটি আসনে একই দলের একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোট বিভাজনের আশঙ্কা থাকে।এতে নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হয় এবং প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোও কৌশল নির্ধারণে বাড়তি সুবিধা পেতে পারে। সুনামগঞ্জ-১ আসনেও ঠিক এমন পরিস্থিতিরই ইঙ্গিত মিলছে।এদিকে জেলা প্রশাসনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশের পর বিষয়টি আরও আলোচনায় আসে। নির্বাচনের পরবর্তী ধাপ—প্রার্থীতা প্রত্যাহার ও চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের দিকে এখন তাকিয়ে আছেন ভোটার ও রাজনৈতিক মহল।সব মিলিয়ে,মনোনয়ন বৈধ হলেও সুনামগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির দুই প্রার্থী নিয়ে তৈরি হওয়া এই ধোঁয়াশা আসন্ন নির্বাচনী মাঠকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও কৌতূহলোদ্দীপক করে তুলেছে।




























