
মনপুরা প্রতিনিধিঃদ্বীপ জেলা ভোলার মনপুরা উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমারে অবৈধভাবে পণ্য পাচারের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় থাকলেও তারা এখনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে বলে দেখা যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকাশ্যে এসব কর্মকাণ্ড চললেও প্রশাসনের তেমন কোনো কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে মনপুরাবাসীর জনমনে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপকূলীয় এই অঞ্চলের নদীপথকে ব্যবহার করে গভীর রাতে বিভিন্ন পণ্য -বিশেষ করে জ্বালানি তেল,আলু,কোমল পানি,ঔষধ, সিমেন্ট সহ বেশ কিছু নিষিদ্ধ সামগ্রী-মাছ ধরার ট্রলার ও নৌযানের মাধ্যমে মিয়ানমারে পাচার করা হচ্ছে।এ কাজে জড়িত রয়েছে একটি শক্তিশালী সংঘবদ্ধ সক্রিয় চক্র, যারা দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে আসছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নির্দিষ্ট কিছু ঘাট ও চরাঞ্চল এসব পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহার করছে সংঘবদ্ধ চক্রটি। রাতের আঁধারে একাধিক নৌযান চলাচল করলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তৎপরতা খুব একটা চোখে পড়ে নি বলে জানান স্হানীয় এলাকাবাসী।ফলে সিন্ডিকেট সদস্যরা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে বলে দেখা যায়।চোরাচালান রোধ করতে না পারলে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অস্থিতিশীলতা ও ভয়াবহ আঁকার ধারন করতে পারে।তাই মনপুরা উপজেলার সকলে মিলে দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি কার্যকারী পদক্ষেপ নিলে হয়তো মিয়ানমারে নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল পাচার রোধ করা সম্ভব হতে পারে । স্থানীয় একাধিক বাসিন্দাদের দাবি, পাচারকারীরা প্রভাবশালী মহলের ছত্র-ছায়ায় থাকায় তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছে না প্রশাসন। মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালনার খবর পাওয়া গেলেও তা স্থায়ী কোনো প্রভাব ফেলছে না বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে মনপুরা উপজেলার একাধিক সচেতন নাগরিক বলেন,“এভাবে অবৈধ পাঁচার চলতে থাকলে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে বলে আশংকা রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে এই চক্রটি আরো শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে ধরনা করা হচ্ছে । তবে এ বিষয়ে মনপুরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সুশীল সমাজের সচেতন মহলের ব্যাক্তিরা বলছে জনতা বাজার মাছ ঘাট,সূর্যমূখী ঘাট, মাঝেরঘাট,তালতোলা ঘাটের কিছু বোট মালিক সরাসরি এই চোরাচালানের সাথে জরিত রয়েছে।তবে এরই মধ্যে বেশ কয়েক জন পাচারকারীর নামের তথ্য রয়েছে সাংবাদিকদের হাতে।এই পথ থেকে সরে না আসলে জাতীর সামনে তুলে ধরা হবে তাদের কর্মের ফল। এদিকে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, অবৈধ পাচার রোধে প্রশাসন দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করবে বলে আশা করছে সচেতন মহল।




























