
সফিকুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টারঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় ততই জমে উঠছে। প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় এখন মুখরিত পুরো উপজেলা। সব মিলিয়ে এই মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণায় বেশি ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থী ও তার নেতাকর্মীরা। কাক ডাকা ভোর থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত নেতাকর্মীরা ভোটারদের দ্বারে-দ্বারে গিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
শনিবার বেলা ১২টায় কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা সদরের মোহনা আবাসিক এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে ধানের শীষের প্রার্থী কায়কোবাদের পক্ষে নির্বাচনী গণসংযোগ করেন তার-ই ছোট ভাই কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য কাজী শাহ আরফিন।
গণসংযোগে এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে কাজী শাহ আরফিন বলেন, কায়কোবাদ দাদা আপনাদেরই গ্ৰামের, আপনাদেরই ঘরের মানুষ। এখানে আসার কারণ হলো এলাকার মুরুব্বী ও যুবক ভাইদের অনেকদিন ধরে দেখি না, তাদেরকে দেখা, সরাসরি সাক্ষাৎ করা। এখানের অনেক মুরুব্বী ও ভাইদের সাথে আমার অনেক স্মৃতি রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বিগত ১০-১২ বছর এই এলাকার মানুষের উপর দিয়ে অনেক মানসিক অত্যাচার গিয়েছে। কারণ ওরা মনে করতো মুরাদনগর সদরটা দখল রাখতে পারলে পুরা মুরাদনগর দখল রাখা। এই কারণে তারা সদরের ছেলেদেরকে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে ছবি তুলেছে, তাদেরকে বাধ্য করেছে, তাদেরকে দিয়ে যত ধরনের অপকর্ম রয়েছে তা করিয়েছে। এই ছেলেগুলো কিন্তু খারাপ ছিল না, তাদের পরিবারেরও অনেক নাম ডাক রয়েছে। তাদের কেউ ভয়ে করেছে, কেউ আবার লোভে পড়ে করেছে। অথবা অনেকে তাদের অবস্থানকে ধরে রাখার জন্য, সমাজের থাকার জন্য বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়েছিল। কিন্তু এদের মধ্যে দুইটা শ্রেণি আছে। একটা শ্রেণী অপরাধ করে আনন্দ পাইতো, মজা পাইতো, কিন্তু আর একটা শ্রেণি অপরাধ করে অনুশোচনায় ভুক্ত যে কাজটা তার করা ঠিক হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা কাজটা করেছে। তাদের সাথে আমাদের কোন সমস্যা নেই। কিন্তু যারা মানুষকে কষ্ট দিয়ে, মানুষের ক্ষতি করে আনন্দ ফুর্তি করেছে, মানুষকে নির্যাতন করে ওরা নিজের অবস্থানকে ধরে রাখতে চাইছে তাদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই। তিনি কায়কোবাদ দাদাকে আগামী নির্বাচনে নির্বাচিত করতে যুবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, যা হওয়ার হয়ে গেছে। আগামীতে যদি আপনাদের গ্রামে এমপি রাখতে চান, আপনারা যদি মনে করেন আমাদের এমপিটা থাকা দরকার তাহলে এটার দায়িত্ব আপনাদের।
গণসংযোগে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম, বিএনপির প্রবীণ নেতা জসিম উদ্দিন, ইব্রাহীম হুজুর, মাসুদ মিয়া, নেয়ামুল হক, আব্দুল বাতেন মোল্লা, বাবুল মিয়া, সাইদুল ইসলাম আসিফ, মোঃ সাফায়াত, ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সাধারণ জনতা উপস্থিত ছিলেন।




























