
শাহিন মিয়া অষ্টগ্রাম , কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জের অষ্ট |গ্রাম উপজেলার দেওঘর ইউনিয়নের সরকার বাড়ি গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে |এতে বিপ্লব মিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করে |অভিযোগের ঘটনা সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে যায় এবং আসামি গণের সাথে দেখা করার জন্য যায় |
সরজমিনে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায় |৫ নং আসামি গোলাপ মিয়া নিজে তার বক্তব্যে ঘটনা সত্যতা স্বীকার করে নেই |
আসামী গোলাপ মিয়া বলেন, আমি এস এম শাহিনের কাছে এর সত্যতা স্বীকার করেছি এবং এস এম শাহীন আমাকে তার অফিস থেকে বের করে দেয় , নেতা শাহীন ভাই বলেন যে , আমি কাজটি ঠিক করি নাই এবং খুব জঘন্যতম কাজ করেছি আমি ?
অভিযোগের আসামি গুলোর নাম নিচে উল্লেখ করা হলো:
১। হাকিব মিয়া (৫৮) পিতা: মৃত সুন্দর আলী। ২। ফেতের আলী (৫০) পিতা। মৃত আবেদ মিয়া। ৩। জুয়েল মিয়া (৩৫) পিতা। মৃত রমজান আলী। ৪। হাছান আলী (৪০) পিথা। মৃত মনজুত আলী। ৫। গোলাপ মিয়া (৪৫) পিতা। মৃত আঃ রমজান। ৬। বাহার মিয়া (৩২) গিরা। মত জিগর আলী। ৭। লাল হোসেন (৫০) পিতা: মৃত আছলাম উদ্দিন। ৮। মরতুজ আলী (৫৫) পিতা: মৃত নয় মিয়া। ৯। জামু বেগম (৪৫) স্বামী: লাল হোসেন। ১০। হারুন মিয়া (৩৫) পিতা হাবিষ মিয়া। ১১। মোহন মিয়া (৩২) পিতা। ঐ। ১২। দানা মিয়া (৩৭) পিতা: মৃত আঃ রমজান। ১৩। মোছাঃ ছালিয়া বেগম (৪৬) স্বামী: মরতুজ আলী। আসামী আরও ১০/১৫ জন অজ্ঞাত আছে। সাং- দেওঘর (সরকার বাড়ি), খাদ্য। অষ্টগ্রাম, জেলা: কিশোরগঞ্জ।
ঘটনার তারিখ ও সময়ঃ ২৫/০১/২০২৬ ইং রোজ রবিবার। সময় অনুমানঃ সকাল ৮.০০ ঘটিকায়। ঘটনার স্থানঃ দেওঘর (সরকার বাড়ি) বিপ্লব মিয়ার বসত বাড়িতে।
আমি বিপ্লব মিয়া অভিযোগ করিতেছি যে, আসামীগন দাঙ্গাবাজ ও খুন জখম এবং সন্ত্রাস প্রকৃতির লোক। ১নং জখমী আমার মাতা। ২নং স্বাস্ফীনি আমার ছোট বোন। আসামীগন বাড়িতে আমানে বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার নিম্নতিন করিয়া আসিতেছে। আসামীগনের সহিত দীর্ঘদিন যাবত ধরে বাড়ির জায়গা নিয়ে বিরোধ চলিয়া আসিতেছে।
সে শত্রুর জের ধরিয়া ঘটনার তারিখ ও সময়ে সফল আসামীগন পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে পরস্পর যোগ সাজসে বেআইনি জনতাবদ্ধে দল বল সহ দা, লাটি লোহার রড, ফল, বল্লম, কোদাল, কষ্টি, লোহার সাগল, কুঁড়াল, ইত্যাদি মারাত্মক দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হইয়া আমার বাড়িতে অনাধিকার প্রবেশ করিয়া ১নং স্বাক্ষীনিকে প্রাণে মারার জন্য ঘেরাও করে।
১নং আসামী হালিব মিয়া মিয়া হুকুম দেয় যে, শালার বেটাবেটিদেরকে আজ সুযোগ মতে পাইয়াছি বাড়ি ঘর ভাঙ্গিয়া জীবনে শেষ করিয়া দেয়। এই হুকুম পাইয়া ২নং আয়ামী আহার হাতে থাকা লাটি দিয়ে ১নং স্বাক্ষীনিকে পিঠের মধ্যে ব্যার মারিয়া ফুলা ও বেদনাদায়ক জখম করে। তখন ৩.৪.৫.৬.নং আসামীগন ১নং স্বাক্ষীনিকে ঝাপড়াইয়া চুলের মুষ্টিতে ধরিয়া মাটিতে ফেলিয়া তলপেটের মধ্যে লাতি মোড়া মারিয়া জখম করিয়া ১নং স্বাক্ষীনির পড়নে থাকা কাপড় ছোপড় টানিয়া ছিড়য়া শ্রীলতা হামি করে। তখন ১.২.৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩ নং আসামীগন দা লাটি, গোমার রড ইত্যাদি দিয়ে বাইরাইয়া দা, চানিচ কডাল দিয়ে কপিয়ে আমার বসত ঘরের সই চালা টিনের ঘরটি ও পাকের ঘর ও গোয়াল ঘর সহ আমার বসত ঘর জাঙ্গিয়া টিনের চাল সহ উচ্ছেদ করিয়া আমার ঘর রাজর পাশে খালে ফেলিয়া দেয় এবং আমার ঘরের বারান্দা লাটি ও লোহার রড, লোহার সাপল ও কন্তুি কুড়াল দিয়ে ফারাইয়া ভাংচুর ও ক্ষয়ক্ষতি করে এবং আমার আমগাছ, জামগাছ, চাইলত। গাছ, বা দিয়ে কাটিয়া ফেলে। যাহার ইত্যাদির ক্ষতির পরিমান ৫.০০.০০০/- (পাঁচ লক্ষ টাকা) হইবে।
আমার গোয়াল ঘরের ভিতরে থাকা একটি কালো গাড়ী ৫নং আসামী নিয়ে যায়। যাহার মূল্য অনুমান ১, ২০, ০০/- টাকা হইবে। ৩নং আসামী জুয়েল মিয়া আমার বসত ঘরের ভিতরে প্রবেশ করিয়া আমার সুকেশের মধ্যে থাকা রক্ষিত ১ ভরি স্বর্ণ অলংকার নিয়ে যায়। যাহার মূল্য ১, ৮০, ০০০/- টাকা এইবে। ৪নং আসামী আমার বসত ঘরের সুকেশে থাকা রক্ষিত ২, ৫০, ০০০/- টাকা নিয়ে যায়। ১.২.৬, ৭, ৮, নং আসামীগন আমার বসত ঘরের ভিতরে থাকা ১০ মন চাউল, নিয়ে যায়। যাহা মূল্য ১৫ হাজার টাকা এবং ৫০মন ধান লুট করে নিয়ে যায় , যার মূল্য ৭৫ হাজার টাকা |
বিপ্লব নিয়ে বলেন আমার মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১১ লাখ ৪০ হাজার টাকার মত হবে |
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে দেওঘর ইউনিয়নের সরকার বাড়িগ্রামে গোলাপ মিয়া ও বিপ্লব মিয়ার মধ্যে একটি জমি মালিকানা ও দখল নিয়ে বিরোধী চলে আসছিল |এরই জেরে রোববার সকালে এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেই লাঠিসুটাও ধারালো অস্ত্র নিয়ে গোলাপ মিয়ার দলবিপ্লব মিয়ার বাড়িতে আক্রমণ করে |এ ঘটনা সত্যতা গোলাপ মিয়া স্বীকার করে নেই |আসামি গোলাপ মিয়া বলে, আইন যা পারে করুক আমি এ ঘটনা ঘটাইছি !
এলাকার সর্দার জাহাঙ্গীর মিয়া বলেন, ঘটনাটি নিয়ে আমরা বেশ কয়েকবার বসি সমাধানের জন্য কিন্তু আজকে যে ঘটনা ঘটছে এটি খুবই দুঃখজনক এবং নেককারজনক |
দেওঘর এলাকার স্থানীয় মেম্বার বলেন, ঘটনাটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এমন ঘটনা আমরা আশা করিনি এবং মানুষের বাড়ি লুটপাট করা ভাঙচুর করা গাছপালা কাঁটা এগুলো খুব জঘন্যতম কাজ |
অষ্টগ্রাম থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) সোহেব খাঁন বলেন, এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে আমরা তদন্ত করে এর ব্যবস্থা গ্রহণ করব |




























