
জাহিদ হাসান মুক্তার,পাকুন্দিয়া প্রতিনিধি :কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় বিএনপি'র ওয়ার্ড কমিটির সভাপতির পদ নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত প্রায় ৮ জন আহত হয়েছেন। (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার ১৩৮ নং চন্ডিপাশা পূর্ব পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বিএনপির ওয়ার্ড কমিটির কাউন্সিলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। জানা গেছে বিকেল ৪টার দিকে চন্ডিপাশা গ্রামের ৩ নং ওয়ার্ড কমিটির কাউন্সিলের আয়োজন করে ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি । এতে সভাপতি পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। তারা হলেন চন্ডিপাশা গ্রামের নূরুল ইসলামের ছেলে গোলাপ মিয়া। একই গ্রামের শেখ বাড়ির শেখ আসাদ, এবং শাহেদ আলী। । সভাপতি প্রার্থী ৩ জন থাকলেও ২ জন প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সভাপতি প্রার্থী নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে অসন্তোষ দেখা দেয় । শেখ আসাদ এর লোকজনের দাবি ছিল কাউন্সিলরদের সরাসরি সমর্থনে সভাপতি নির্বাচন করা। কিন্তু গোলাপ মিয়ার সমর্থকদের দাবি কাউন্সিলরদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত করা। এ নিয়ে গোলাপ গ্রুপ ও শেখ আসাদ গ্রুপের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করে। এক পর্যায়ে গোলাপ মিয়ার ভাই বর্তমান ইউপি সদস্য সৈয়দুজ্জামান কথা বলতে চাইলে শেখ আসাদের ছোট ভাই শেখ সুমন কথা বলতে বাধা সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে চেয়ার ছুড়াছুড়ি শুরু হয়। পরে দুই পক্ষের অন্তত ৭/৮ লোক আহত হয়। আহতদের উদ্বার করে এলাকার লোকজন পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান । চন্ডিপাশা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. বদরুল আলম বলেন, অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। সঠিক সংখ্যা এখনই বলতে পারছি না। হাসপাতালে খোঁজ নিলে বলতে পারবো কয়জন আহত হয়েছেন। এ বিষয়ে পাকুন্দিয়া উপজেলার বিএনপির আহ্বায়ক এ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন জানান, চন্ডিপাশা ইউনিয়নে ৩ নং ওয়ার্ডের দুই সভাপতির প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





























