
পাকুন্দিয়া সংবাদদাতা:পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের তিনটি গ্রামের সুবিধাবঞ্চিত ২৭০টি পরিবারের মাঝে ঈদ প্রীতি সামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (১৮ মার্চ ) সকাল ১১টায় ইউনিয়নের চরপলাশ নতুন বাজার ঈদগাহ মাঠে ৮নং ওয়ার্ড জামায়াতের উদ্যোগে এ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় কাওয়ালীকান্দা, চরপলাশ ও ঠুটারজঙ্গল গ্রামের দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে এসব উপহার তুলে দেওয়া হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পাকুন্দিয়া উপজেলা শাখার প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি মোঃ স্বপন হোসেনের সঞ্চালনায় এবং ৮নং ওয়ার্ড সভাপতি আবির জামান হৃদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতের রাজনৈতিক সেক্রেটারি ও পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাওলানা মোঃ আজিজুল হক কাজল। অনুষ্ঠানের শুরুতে মড়লপাড়া জামে মসজিদের ইমাম আব্দুল্লাহ আল মামুন পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন। পরে সভাপতির স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় এবং পর্যায়ক্রমে অতিথিরা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে ঈদ উপহার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন পাকুন্দিয়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোঃ আবদুল জব্বার। উদ্বোধনের পর প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের হাতে ঈদ প্রীতি সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। প্রতিটি উপহার প্যাকেটে ছিল ৫ কেজি চাল, ৫ কেজি আলু, ২ কেজি পেঁয়াজ, ১ লিটার সয়াবিন তেল, আধা কেজি মশুর ডাল, ১ কেজি চিনি, ২৫০ গ্রাম সেমাই, ২ প্যাকেট গুঁড়া দুধ এবং আধা কেজি ডিটারজেন্ট পাউডার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর ডা. মোঃ সোহরাব উদ্দিন, সুখিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মোঃ আমিনুল ইসলাম, সেক্রেটারি মোঃ আশরাফুল ইসলাম মঞ্জু, সহ-সভাপতি মোঃ আল আমিন এবং সুখিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হামিদ টিটু। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ছয়চির শামসুদ্দীন জুনিয়র বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম, চরপলাশ জামে মসজিদের সভাপতি মুজিবুর রহমান মাখন ভুইয়া, প্রবাসী এহসানুল হক লালন ভুইয়া ও বাতেন আহমেদ জয় ভুইয়া, স্থানীয় ব্যক্তিত্ব মোঃ নুরুল ইসলাম লিটন সরকার, ৮নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ শফিকুল ইসলাম হবি সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকরা। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে রয়েছে। বন্যাসহ বিভিন্ন দুর্যোগে সহযোগিতার পাশাপাশি মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়ন এবং সামাজিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে সংগঠনটি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।




























