
বাংলা নববর্ষ ঘিরে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার। তারপরো রমনা পার্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানী জুড়েই নিরাপত্তা ব্যবস্থা্ জোরদার করা হচ্ছে। এদিকে, বৈশাখী শোভাযাত্রার প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে।
বাংলা নববর্ষ ঘিরে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার। তারপরো রমনা পার্ক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানী জুড়েই নিরাপত্তা ব্যবস্থা্ জোরদার করা হচ্ছে। এদিকে, বৈশাখী শোভাযাত্রার প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে।
এই ব্যস্ততা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায়। লক্ষ্য পহেলা বৈশাখকে রঙিন করা। পুরনোকে পেছনে ফেলে নতুনকে স্বাগত জানানো।
বর্ষবরণের এবারের প্রতিপাদ্য ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার’। সমাজে ঐক্য, সম্প্রীতি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পুনরুজ্জীবনের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই এই প্রতিপাদ্যের মূল লক্ষ্য।
এবারের শোভাযাত্রায় দোতারা,পায়রা সহ পাঁচটি প্রধান মোটিফ তৈরি করা হচ্ছে। মোটিফ তৈরি দেখতে এখনি ভিড় জমছে উৎসাহি জনতার।
আয়োজন দেখতে আসা এক দর্শনার্থী বলেন, এটার আয়োজন প্রতিবছর দেখতে আসি। এখানে অনেক রঙের খেলা থাকে, সবার প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত থাকা দেখতে ভালো লাগে, এই কারণে আসা। আমরা আমাদের দেশটাকে শান্তিপূর্ণ ও সুন্দর অবস্থায় দেখতে চাই।’
আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত থাকা এক ঢাবি শিক্ষার্থী বলেন, ‘তাড়হুড়োর মধ্যে আমরা কাজ করছি। গত বছর একটা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি ছিল, সেখান থেকে বের হয়ে আমরা নতুন করে সবার অংশগ্রহণে আবার কাজ শুরু করেছি।’
আয়োজনকদের একজন বলেন, ‘১৩ এপ্রিল আমরা একটা প্রোগ্রাম করছি চারুকলা অনুষদের বকুলতলায়। তার পরের দিন আমাদের যথারীতি বৈশাখের যে শোভাযাত্রা সেটি থাকছে।’
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক ঠাক রাখতে তৎপর আইানশৃঙ্খলা বাহিনী।
ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার মো. সরওয়ার বলেন, ‘নিরাপত্তা প্রস্তুতি ডেভেলপ করার জন্য আমরা আমাদের অফিসারসহ রমানর বটমুল, চারুকলাসহ অন্যান্য এলাকায় যেসব অনুষ্ঠান হবে সেগুলো আমরা পার্সোনালি রেকি করে যাচ্ছি। সেই হিসেবে কোথায় কী পরিমাণ ফোর্স নিয়োজিত করা হবে সেগুলো নিয়ে আমরা একটি কর্মকর্তাদের একটা ব্রিফিংও দিয়ে দিয়েছি।’































