
মজমুল হক গঙ্গাচড়া প্রতিনিধি :
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-১ আসনে( গঙ্গাচড়া ও রংপুর সিটি করপোরেশনের আংশিক ১- ৯ নং ওয়ার্ড) জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মন্জুম আলীর প্রার্থীতা উচ্চ আদালত কর্তৃক বাতিল করা হয়েছে। ফলে নির্বাচনের মাঝপথে এসে ছিটকে পড়ে গেল জাতীয় পার্টি।
বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া ও মন্জুম আলী নিজেই তার ফেসবুক পেজে সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা যায় ১ ডিসেম্বর রংপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকার অভিযোগে মন্জুম আলীর প্রার্থীতা বাতিল করে দেন। এরপর তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রার্থীতা পুনঃবহালের জন্য আবেদন করেন। নির্বাচন কমিশন তার আবেদন মেনে প্রার্থীতা ফিরিয়ে দেয় এবং লাঙ্গল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
ইতিমধ্যে তিনি লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী প্রচারও শুরু করেছিলেন। কিন্তু এ সময় ধানের শীষের প্রার্থী মোকাররম হোসেন সুজন তার প্রার্থীতা বহালের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আবেদন করেন। সেই আবেদন আমলে নিয়ে উচ্চ আদালত ব্যারিস্টার মন্জুম আলীর প্রার্থীতা বাতিল করে দেন। ফলে জাতীয় পার্টি থেকে মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মন্জুম আলীর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার আর সুযোগ থাকলনা। এদিকে জাতীয় পার্টির সমর্থকদের মধ্যে হতাশার চিত্র ফুটে উঠেছে।
এব্যাপারে মন্জুম আলী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দীর্ঘ স্টাটাস দিয়ে অভিযোগ করে লিখেছেন তিনি ইলেকশন ইন্জিনিয়ারিং এর শিকার হয়েছেন। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এটা কাম্য না।
এদিকে জাতীয় পার্টি সৃষ্টির পর থেকেই ২৪ এর নির্বাচন বাদে আসনটি জাতীয় পার্টির দখলে ছিল। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াত ছাড়া নির্বাচনে জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের সাথে আতাত করেও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আসাদুজ্জামানের কাছে দলটির প্রার্থী শাহরিয়ার আসিফ বিপুল ভোটের ব্যাবধানে পরাজিত হয়।
সেই নির্বাচনে সাবেক সংসদ সদস্য মশিউর রহমান রাঙা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে হন দ্বিতীয়। এবারে আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহনের সুযোগ না থাকায় আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক নিয়ে নির্বাচনে জেতার আশা করেছিল দলটির তৃনমূলের নেতা কর্মীগণ। সেটি আর হলোনা। আসনটিতে এখন বিএনপি ও জামাতের মধ্যে হাড্ডা হাড্ডি লড়াইয়ে আভাস মিলছে ভোটারদের মাঝে।




























