
শেরপুর প্রতিনিধি :
শেরপুরে বহ্মপুত্র নদের ড্রেজিং এর ফলে নদী তীরবর্তী ফসলি জমি ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয় চরপক্ষীমারি ইউনিয়নের নতুন ভাগলগড় এলাকার বাসিন্দাদের।
সরেজমিনে দেখা যায়, সদর উপজেলার চরপক্ষীমারি ইউনিয়নের বহ্মপুত্র নদের দক্ষিণ পাশের নদীবিধৌত এলাকা নতুন ভাগলগড়ের অধিকাংশ জমিতে ব্যাপক আকারে ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদী তীরবর্তী এসব জমিতে বিভিন্ন সবজি ও ভূট্টা, ধান সহ বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, বহ্মপুত্র নদে বিআইডব্লিউটিএ এর ড্রেজিং এর বালু নদীর তীরে জমা না করে উত্তোলনকৃত বালু পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী জামালপুরের মেলান্দহ নিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে।
ওই এলাকার বাসিন্দা জসিম মিয়া বলেন, অপরিকল্পিত ড্রেজিং এর ফলে নদীপাড়ে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে আমার সামান্য ফসলি জমি টুকু নদী গর্ভে হারিয়ে গেছে। এভাবে ভাঙন চলতে থাকলে আমাদের ঘরবাড়ি সব নদীগর্ভে চলে যাবে। তখন আমাদের উদ্বাস্তু হয়ে ঘুরতে হবে। "
আমরা চাই প্রশাসন যাতে উত্তোলন কৃত বালু নদীর তীরের অংশে ফেলে। এতে নদী ভাঙন রোধ হবে। আর আমাদের শেরপুরের বালু অন্য জেলায় বিক্রি করায় শেরপুর রাজস্ব হারাচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন। "
আরেক বাসিন্দা নোমান বলেন, আমাদের এলাকার প্রায় ৫০ একর জমি নদী গর্ভে হারিয়ে গেছে। এভাবে ভাঙন চলতে থাকলে আমরা সবাই নিঃস্ব হয়ে যাবো। আমাদের এ এলাকার অধিকাংশ মানুষ অতিদরিদ্র। তাদের শেষ সম্বল টুকু যদি হারিয়ে যায় তাহলে এরা কোথায় যাবে।
এভাবে উত্তোলনকৃত বালু অন্য জেলায় পাচার করা যায় কিনা জানতে চাইলে শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ মাহবুবা হক বলেন, অনিয়মের বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। আমি দ্রুত এবিষয়ে ব্যবস্থা নিব।





























