
ফজলুল করিম শেরপুর প্রতিনিধি :
শেরপুরে গজনী অবকাশ পিকনিক স্পটে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসা ছাত্রী।এ ঘটনায় লজ্জায় বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ধর্ষনের শিকার ছাত্রীর মা।
১৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার রাতে মুমূর্ষ অবস্থায় ওই ছাত্রীর মাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদি হয়ে ১৯ ফেব্রুয়ারি বুধবার ঝিনাইগাতী থানায় মূল আসামি ইলিয়াস (৩৫) ও তার তিন সহযোগী মতিন-(২৮), সাইদ -(৩০) এবং রাশেদ -(২৮) কে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান ১৪ ফেব্রুয়ারি ধর্ষণের শিকার স্থানীয় মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গজনী অবকাশ বিনোদন কেন্দ্রে ভালবাসা দিবসে বান্ধবীদের সাথে বেড়াতে গেলে কালিনগর এলাকার এক বখাটে যুবক ইলিয়াস (৩৫) তার ওপর তিন সহযোগীদের সহায়তায় মেয়েটিকে জোর করে ধর্ষণ করে। পরে ওই যুবকের প্রভাবশালী পরিবার ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ভিকটিমের পরিবারের উপর চাপ প্রয়োগ করে মামলা না করার জন্য।পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে ১৮ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মেয়েটির মা লোক-লজ্জার ভয়ে বাড়ির পাশে পাহাড়ের জঙ্গলে গিয়ে বিষ পান করে।পরে বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঝিনাইগাতী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তবরত চিকিৎসক তাকে শেরপুর সদর হাসপাতালে পাঠালে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ঝিনাইগাতি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ আল-আমীন জানান আমরা ভিকটিমকে নিরাপদ হেফাজতে এনেছি এবং তার মায়ের চিকিৎসার জন্য শেরপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় চার জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে ওসি নিশ্চিত করেছে।





























