
যাত্রাবাড়ী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, কাউন্সিলর বাদল সরদার বলেছেন, আন্দোলনে ছাত্ররা যখন ভুমিকা রাখলো, তারেক রহমান বলেছিলেন এই আন্দোলনকে বিএনপিকে অবশ্যই রাজপথে থাকতে হবে। তখন আমরাও শিক্ষার্থীদের সমর্থন জানিয়ে আমরাও এই আন্দোলনে অংশগ্রহন করেছি। আমাদের অনেক নেতাকর্মী জীবন দিয়েছে, আহত হয়েছে। এছাড়া এই স্বৈরশাসকের আমলে এত গুম-খুন ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছে; যে আমাদের অস্বিত্ব বিলিন হয়ে গেছে। তার পরেও আমরা তাদের রক্তচক্ষুকে ভয় করিনি। আন্দোলনের শেষ পর্যন্ত আমরা রাজপথে ছিলাম, আমাদের উপর গুলি করা হয়েছে। অগ্নিসংযোগ-লুটপাট স্বৈরাচারের লোকেরা করেছে। আমাদের নেতাকর্মীরা এতে অংশ নেয় নাই। অথচ আমাদের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যে মামলা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে যাত্রাবাড়ি থানা বিএনপির উদ্যোগে এক র্যলি শেষে তিনি এইসব কথা বলেন।
জানা গেছে, কেন্দ্রীয় নির্দেশ অনুযায়ী, ছাত্র-জনতার উপর গুলি চালিয়ে গণহত্যাকারী খুনি হাসিনাসহ তার দোসরদের বিচারের দাবিতে দিন ব্যাপি অবস্থান কর্মসূচি পালন করে যাত্রাবাড়ী থানা বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
এসময় বাদল সরদার বলেন, ইতিহাস পড়লে জানতে পারবেন এমন স্বৈরাচারের এমন পতন, ইতিহাসে কেউ দেখে নাই। এই পতনের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ নতুন ভাবে স্বাধীন হয়েছে। তবে এখনো খুশি হওয়ার সময় হয় নাই। স্বৈরাচারেরা এখনো ষড়যন্ত্র করছে। আমাদের নেতা তারেক রহমান অত্যন্ত বিচক্ষণ, তাই তিনি তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। ১৪,১৫ তারিখ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আমাদের রাজপথে থাকতে হবে। ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে হবে। তাদেরকে কোন ছাড় দেওয়া যাবে না। স্বৈরাচার সে শুধু নিজের কারণে হয় নাই। তার দলের নেতারা তাকে স্বৈরাচার বানিয়েছে, অনেক সাংবাদিক নিজের স্বার্থ নিয়ে তাদের স্বৈরাচার বানিয়েছে, অনেক ব্যবসায়ী নিজের স্বার্থ নিয়ে তাদের স্বৈরাচার বানিয়েছে, আইন বিভাগের অনেকে তাদের থেকে সুবিধা নিয়ে তাদের স্বৈরাচার বানিয়েছে। আমরা দাবি করবো এদের খুঁজে বের করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।







































