
ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের কারনে উত্তাল মধ্যপ্রাচ্য। এই যুদ্ধের কারনে সমগ্র বিশ্বে এখন অস্থির জ্বালানী বাজার। হরমুজ প্রনালীতে ইরানের কড়াকড়িতে তেল সরবরাহতে দেখা দিয়েছে ঘাটতি। এর ফলে বাংলাদেশেও পড়েছে এর প্রভাব। সাম্প্রতিক সময়ে মাদারীপুরের শিবচরে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের মুহূর্তে সাধারণ মানুষের ভরসার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে এ এইচ কে (আব্দুল হাকিম খান) ফিলিং স্টেশন। যখন উপজেলার বিভিন্ন স্থানে তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল ও কৃষি সেচ কাজ ব্যাহত হওয়ার উপক্রম হয়েছিল, তখন এই ফিলিং স্টেশনটি যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করেছে। হঠাৎ করে যখন তীব্র সংকটে দেশের বিভিন্ন স্থানে ধুকছে নামীদামী ফিলিং স্টেশনগুলো তখন নির্দিষ্ট পরিমানে জ্বালানী তেল সরবরাহ করে হলেও শিবচরের মানুষের আস্থা অর্জন করে চলেছে এই পাম্প। বিশেষ করে জরুরি সেবার গাড়ি ও কৃষকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তেল সরবরাহ করার বিষয়টি এলাকায় বেশ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।
এই ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী শান্ত খান তার ফেসবুক আইডিতে এক বক্তব্যে বলেন, আমরা সবাইকে অল্প করে হলেও তেল দেয়ার চেষ্টা করছি। আমরা চাই সবাই প্রয়োজন মেটাক। কিন্তু অনেকে অতিরিক্ত তেল নিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছেন। এটা থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে।
ফিলিং স্টেশনের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে শিবচর উপজেলা প্রশাসন এবং শিবচর থানা পুলিশ। তেল নিতে আসা একাধিক ব্যক্তি জানান, তাদের লম্বা সময় অপেক্ষার পর ২শত বা ৩ শত টাকার তেল মিলছে। পর্যাপ্ত না হলেও সন্তুষ্ট তারা। কারন অনেক জায়গায় ই তেল নেই। সার্বিক দিক বিবেচনায় এই পাম্প না থাকলে শিবচর উপজেলার মানুষের শখের মটরসাইকেল বা গাড়িটি হয়তো ঠাই নিতো ঘরে।



























