
মো.মুরাদ মৃধা, রাণীনগর
নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার দেউলা মানিকহার উচ্চ বিদ্যালয়ে র ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠেছে শিক্ষক শ্রীদাম কুমার মন্ডল(৪৩) বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় ১৬ এপ্রিল ( বৃহস্পতিবার) রাতে ওই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মোঃ রাকিবুল হাসান।
অভিযুক্ত শিক্ষক উপজেলার দেউলিয়া মানিকহার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক(কৃষি শিক্ষা) ।
সূত্র জানায়, গত ০৮ এপ্রিল (বুধবার) বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে একা পেয়ে কমন রুমে এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করে সহকারী শিক্ষক শ্রীদাম কুমার মন্ডল, পরে ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী বাড়িতে ফিরে বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়।
লোকলজ্জার ভয়ে প্রথমে চুপ থাকলেও পরদিন ৯ এপ্রিল ভুক্তভোগী ছাত্রী মুঠোফোনে প্রধান শিক্ষককে বিষয়টি জানায়। পরবর্তীতে ১৩ এপ্রিল ওই ছাত্রী সরাসরি বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে মৌখিক অভিযোগ প্রদান করে বলে বিদ্যালয়সূত্রে জানা যায়।
অভিযোগ পাওয়ার পরও কয়েকদিন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ১৬ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার ) বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে চড়াও হন। উত্তেজিত জনতা শিক্ষক শ্রীদাম কুমার মন্ডলকে না পেয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে অবরুদ্ধ করেন এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন।
খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিলা ইয়াসমিন এবং রানীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক শ্রীদাম কুমার মন্ডলের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও সেটা বন্ধ থাকায় তার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এদিকে সত্যতা নিশ্চিত করে প্রধান শিক্ষক দুলাল চন্দ্র প্রাং বলেন, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় গভর্নিং বডির জরুরি মিটিংয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মোঃ রাকিবুল হাসান তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। তিনি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং অভিযুক্তের বক্তব্য শুনে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পান।
অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে উপজেলা প্রশাসনের বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়।
স্থানীয় অভিভাবকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "শিক্ষক যদি রক্ষক না হয়ে ভক্ষক হন, তবে আমরা সন্তানদের কার কাছে পাঠাব?
এই ঘটনার পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর মানুষের আস্থা নড়বড়ে হয়ে গেছে।
এই ঘটনার পর থেকে ঐএলাকার এবং বিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
স্কুল শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ শিক্ষক শ্রীদাম কুমার মন্ডল বরখাস্ত
মো.মুরাদ মৃধা, রাণীনগর
নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার দেউলা মানিকহার উচ্চ বিদ্যালয়ে র ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ ওঠেছে শিক্ষক শ্রীদাম কুমার মন্ডল(৪৩) বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে ওই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মোঃ রাকিবুল হাসান।
অভিযুক্ত শিক্ষক উপজেলার দেউলিয়া মানিকহার উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক(কৃষি শিক্ষা) ।
সূত্র জানায়, গত ০৮ এপ্রিল (বুধবার) বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে একা পেয়ে কমন রুমে এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করেন সহকারী শিক্ষক শ্রীদাম কুমার মন্ডল, পরে ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী বাড়িতে ফিরে বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়।
লোকলজ্জার ভয়ে প্রথমে চুপ থাকলেও পরদিন ৯ এপ্রিল ভুক্তভোগী ছাত্রী মুঠোফোনে প্রধান শিক্ষককে বিষয়টি জানায়। পরবর্তীতে ১৩ এপ্রিল ওই ছাত্রী সরাসরি বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে মৌখিক অভিযোগ প্রদান করেন বলে বিদ্যালয়সূত্রে জানা যায়।
অভিযোগ পাওয়ার পরও কয়েকদিন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় ১৫ এপ্রিল (বুধবার) বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে চড়াও হন। উত্তেজিত জনতা শিক্ষক শ্রীদাম কুমার মন্ডলকে না পেয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে অবরুদ্ধ করেন এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন।
খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাবিলা ইয়াসমিন এবং রানীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক শ্রীদাম কুমার মন্ডলের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও সেটা বন্ধ থাকায় তার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এদিকে সত্যতা নিশ্চিত করে প্রধান শিক্ষক দুলাল চন্দ্র প্রাং বলেন, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় গভর্নিং বডির জরুরি মিটিংয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের সভাপতি মোঃ রাকিবুল হাসান তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। তিনি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং অভিযুক্তের বক্তব্য শুনে ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পান।
অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বলে উপজেলা প্রশাসনের বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়।
এই ঘটনার পর থেকে বিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
স্থানীয় অভিভাবকেরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "শিক্ষক যদি রক্ষক না হয়ে ভক্ষক হন, তবে আমরা সন্তানদের কার কাছে পাঠাব? এই ঘটনার পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওপর মানুষের আস্থা নড়বড়ে হয়ে গেছে।
এলাকাবাসী এবং অভিভাবকদের দাবি, শুধুমাত্র বরখাস্ত নয়, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষী শিক্ষককে দৃষ্টান্তমূলক আইনি সাজা দিতে হবে যাতে ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষক এই ধরণের সাহস না দেখায়।




























