
আরাফাত আলী,স্টাফ রিপোর্টার:
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে হাফেজিয়া মাদ্রাসার এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে কারী আহম্মদ উল্লাহ নামে মসজিদের এক ইমামের বিরুদ্ধে। সে উপজেলার ভুরুলিয়া ইউনিয়নের কাটিবারহল এলাকার কারী আকবর হোসেনের ছেলে ও কালিগঞ্জ উপজেলার মৌতলা নামাজগড় মসজিদের ইমাম।
গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাত ১১ টার দিকে জাহাজঘাটা দারুন নাজাত কওমি মহিলা মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয়রা ও ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী (১৩) জানাই, গতকাল মঙ্গলবার ওই মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামিম আহম্মদ উল্লাহ তাকে রাত ১১ টার সময় তার শোয়ার রুমে খাওয়ার পানি নিয়ে যেতে বলে ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীকে। পানি নিয়ে ওই ছাত্রী মুহতামিমের ঘরে গেলে ধর্ষনের উদ্দেশ্য তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত দেয়।এসময় সে বাঁধা দিতে গেলে তার মুখ চেপে ধরে শ্লীলতাহানি ঘটায়। বুধবার সকালে বিষয়টি ফোনে তার অভিভাবকদের জানায় ওই ছাত্রী । কৈখালি থেকে ভুক্তভোগীর পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছে ইমামকে মারধর করে ও থানায় খবর দেয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে ঘটনা স্থল থেকে সুকৌশলে অভিযুক্ত আহম্মদ উল্লাহ পালিয়ে যায়।
সরেজমিনে ঘটনাস্থলে যেয়ে দেখা যায় মাদ্রাসার সব কয়টি দরজায় তালাবদ্ধ রয়েছে।
অভিযুক্ত ইমাম আহম্মদ উল্লার ব্যবহৃত ফোন নাম্বারে একাধিকবার ফোন দিলেও বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ খালেদুর রহমান বলেন, ঘটনা স্থলে পরিদর্শনের জন্য অফিসার পাঠিয়েছি। তবে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থানায় লিখিত কোন অভিযোগ প্রদান করেননি। বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।





























