
তানজিল সরকারঃ ভৈরব কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি।
আজ বুদ্ধিজীবী দিবস গত ৫৩ বছর যাবৎ এই অত্যন্ত সংবেদনশীল দিনটি বাংলাদেশ তথা বিশ্ববাসীকে আলোড়িত করে চলেছে। ২০২৪ সালেও আমরা স্মরণ করছি ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর নির্মম মৃত্যুর করতলে প্রাণ দিয়ে আজও যাঁরা দিশারি তাঁদের অবদানকে।
নির্দিষ্ট সংজ্ঞা অন্বেষণ না করেও বলা যায়, বুদ্ধিজীবীরা দৈহিক শ্রমের পরিবর্তে মানসিক শ্রম বা বুদ্ধিবৃত্তিক শ্রম প্রদান করেন বেশি। এই শ্রেণিতে আছেন- লেখক, বিজ্ঞানী, চিত্রশিল্পি, কণ্ঠশিল্পী, সব পর্যায়ের শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক, রাজনীতিক, আইনজীবী, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, স্থপতি, ভাস্কর, সরকারি ও বেসরকারি কর্মচারী, চলচ্চিত্র ও নাটকের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, সমাজসেবী ও সংস্কৃতিসেবী।
এটা সত্য যে, বুদ্ধিজীবীরাই জাগিয়ে রাখেন জনতাকে, জাগ্রত করেন বিবেক, লালন করেন সব শুভ প্রত্যয়। চিন্তাধারা ও লেখনির দ্বারা কিংবা গানের সুরে, শিক্ষালয়ে পাঠদানে, চিকিৎসা, প্রকৌশল, রাজনীতি ইত্যাদির মাধ্যমে জনগণের সান্নিধ্যে এসে তাঁরা আস্থার জায়গাটি তৈরি করেন।
আর বুদ্ধিজীবীদের কেই ১৯৭১ সালে আজকের দিনে নির্মম ভাবে হত্যা করে। আজ তাদের সরণে কিশোরগঞ্জের ভৈরব পানাউল্লাহচর বধ্যভূমি শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে যথাযথ মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে।
এসময় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণ করে পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
দুপুরে প্রথমে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী আফিসার শবনম শারমিন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ( ভারপ্রাপ্ত )অফিসার ইনচার্জ শাহিন মিয়া বধ্যভূমি শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় শহীদদের প্রতি সশস্ত্র সালাম জানানো হয়।
এসময় শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান মুক্তিযোদ্ধা, বিএনপি সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন, গনঅধিকার পরিষদ নেতাকর্মী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। এরপর আলোচনা ও শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।





























