
নারায়ণগঞ্জ শহরের আমলাপাড়া এলাকায় একটি বিউটি পার্লারের ভেতর থেকে নিখোঁজের ৯ দিন পর পার্লার মালিক কামরুন নাহার ইতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী আনোয়ার হোসেন সেন্টুকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার বিকেলে পরী বিউটি পার্লারের ভেতর থেকে ইতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহটি টয়লেটের ভেতরে পাওয়া যায়। দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় মরদেহ পচে যাওয়ায় ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে সিআইডির ক্রাইমসিন ইউনিট।
আটক আনোয়ার হোসেন সেন্টু ফতুল্লার মাসদাইর গুদারাঘাট রোড এলাকার ইলিয়াস সরদারের ছেলে। নিহত ইতি আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে। তাদের বাড়ি বন্দর উপজেলার লক্ষণখোলা এলাকায় হলেও দীর্ঘদিন ধরে ফতুল্লার মাসদাইর পতেঙ্গা মোড় এলাকায় বসবাস করছিলেন। দম্পতির একমাত্র ছেলে কয়েক বছর আগে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহর পুকুরে ডুবে মারা যায়।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, সেন্টু মাদকাসক্ত ছিলেন এবং মাদকের টাকার জন্য প্রায়ই ইতির ওপর নির্যাতন চালাতেন। গত ২৮ জানুয়ারি থেকে ইতি নিখোঁজ ছিলেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে স্বামীকে জানানো হলে তিনি বিষয়টি গুরুত্ব দেননি বলে স্বজনরা দাবি করেন।
স্থানীয়রা জানান, শুব্রবার দুপুরে পার্লারের ভেতর থেকে দুর্গন্ধ বের হলে আশপাশের লোকজন ও বাড়ির মালিক পুলিশ এবং নিহতের স্বজনদের খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে দরজার তালা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে।
সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ পচে যাওয়ায় সিআইডির ক্রাইমসিন ইউনিট আলামত সংগ্রহ করেছে। নিহতের স্বামীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।





























