
নতুন বছরের শুরুতে যেসব কাজ আসবে সেগুলোর সুটিং শেষ করে পোস্ট প্রোডাকশন কাজ করছেন ব্যস্ত নির্মাতা মারুফ হোসেন সজীব। সে সব কাজে দেখা যাবে খায়রুল বাসার, তানজিন তিশা, ইয়াশ রোহান, তটিনী সহ আরো অনেক জনপ্রিয় অভিনেতা ও অভিনেত্রীদের। নতুন বছরের শুরুতে বেশ কয়েকজন নতুন মুখ নিয়েও কাজ করার পরিকল্পনা আছে বলেও জানিয়েছেন এই নির্মাতা। আসছে ভালোবাসা দিবস ও ঈদের কাজগুলোর চিত্রনাট্য লিখছেন উনি। পাশাপাশি আরও কয়েকজন নির্মাতার চিত্রনাট্য নিয়েও কাজ করছেন মারুফ হোসেন সজীব।
চিত্রনাট্য লিখাতেই বেশি ব্যস্ততা তার। এই বিষয়ে প্রশ্ন করলে নির্মাতা ও চিত্রনাট্যকার বলেন, “বর্তমান সময়ে ইন্ডাস্ট্রিতে চিত্রনাট্যকারের অভাব সব চেয়ে বেশি। প্রশ্ন হচ্ছে কেনো এই সংকট? উত্তরটা আমাকে বলতে বললে আমি বলবো, চিত্রনাট্যকার হওয়া ব্যাপারটা মোটেও সহজ নয়। এক জীবনের অর্ধেকটাই পড়ালেখা করে কাটাতে হয় বাকি অর্ধেকেও পড়ালেখা। পড় লিখো পড় লিখোতেই ব্যাপারটা আটকে থাকে না, একজন চিত্রনাট্যকারকে অনেক কিছুই শিখতে হয় জানতে হয়। বর্তমানে ভালো গল্প ও চিত্রনাট্যকারের অভাব বেশ প্রবল হয়েছে। এই বিষয়ে নির্মাতা ও চিত্রনাট্যকার মারুফ হোসেন সজীব বলেন “ভালো গল্প লেখক বা চিত্রনাট্যকার এখন হাতে গোনা অল্প। আমরা অনেক আগেই চিত্রনাট্যকারদের মেরে ফেলেছি, আপরা তাদের ঠিকঠাক চর্চা করার বা কাজ করার সুযোগ দেইনি, চিত্রনাট্য লিখিয়ে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর পারিশ্রমিক দেইনি, আরো অনেক জটিলতায় ঢুকিয়ে তাদেরকে চলে যেতে বাধ্য করেছি। গল্প লেখক বা চিত্রনাট্যকারদের যে পরিবেশে বা যেমন যত্নে রাখা দরকার সেটার কোনোটাই আমরা করিনি। এখন তো ভিউ বাণিজ্যের ব্যাপার চলে এসেছে, সৃজনশীল লেখক পাওয়া সামনে আরো বেশি কষ্টের ব্যাপার হতে পারে। এখন থেকেই যদি গল্প লেখকদের পরিবেশ ও চর্চার জায়গা আমরা না তৈরির চেষ্টা করি তাহলে আগামী এ যুগেও ভালো লেখক পাওয়া কষ্টের হবে।”







































