
রূপসা প্রতিনিধিঃ
নামে মাত্র অভিযান চললেও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে রূপসার মাটি খেকোরা। আঠারোবেকী নদীর দুই পাশের মাটি অবাধে চুরি হচ্ছে চলে যাচ্ছে ইটভাটায়। মাটি কেটে নেওয়ার কারণে নদীর দুইপাশ ভেঙে ভরাট হচ্ছে নদী। বছরে ১-২ বার উপজেলা প্রশাসন দেখানো অভিযান পরিচালনা করলেও বন্ধ হয়নি মাটি চুরির এ মহোৎসব। নদীর দুই পাশে ভেকু বসিয়ে প্রভাবশালীরা অবাধে কেটে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকার মাটি, নষ্ট করছে সড়ক বাঁধ এবং ব্রিজ। এছাড়াও ফসলি জমির উর্বর মাটি দিদারসে কাটা হচ্ছে দেখার কেউ নেই খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, উপজেলাতে ২০০ টিরও বেশি অবৈধ ইটভাটা রয়েছে আর এই ইটভাটাকে কেন্দ্র করে হিরিক পরেছে মাটি বিক্রির। স্থানীয় প্রভাবশালী নেতারা প্রভাব খাঁটিয়ে কেটে নিচ্ছে নদীর মাটি।
রূপসার আঠারোবেকী নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত ডিজেল প্ল্যান্টের আওতায় কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ করে পুনরায় খনন করা হয় নদীটি। খননকৃত নদীর মাটি দুইপাশে সৌন্দর্যের জন্য এবং পরবর্তীতে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি হাতে নেওয়ার জন্য রাখা হয়, কিন্তু এই মাটি বছরের পর বছর লুট করে নিয়ে যাচ্ছে মাটি খেকোরা। ২০১০ সালের মাটি ও বালু ব্যবস্থাপনা আইনে বলা হয়েছে মাটি খনন এবং বহন দুটোই শাস্তিযোগ্য অপরাধ, কিন্তু আইনে থাকলেও এটা প্রয়োগে ব্যর্থ প্রশাসন।
স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বিষয়টি জানালে, লোক বলের অভাবে কোন পদক্ষেপ নিতে পারছে না বলে জানান। প্রতিদিন শত শত ট্রাক মাটি যাওয়ার ফলে নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকা তৈরি করা ব্রিজ ও সড়ক। ভারী যানবাহন চলার কারণে নির্দিষ্ট মেয়াদের আগেই নষ্ট হতে শুরু করে সড়কগুলো। বৃষ্টি হলে রাস্তায় পড়ে থাকা মাটি কাদায় পরিণত হয় এতে সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে এবং মানুষের চলাচলের জন্য খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ছে। রুপসার জনগণের একটি চাওয়া অচিরেই বন্ধ হোক টপ সয়েল চুরি।




































