
শাহ্জাহান কবির হিরা, ময়মনসিংহ (উত্তর) প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় চেক উদ্ধার মামলার ১২ দিন পর সাংবাদিক শামীম হোসেনের বিরুদ্ধে ডা. আমান উল্লাহ মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেন।
শামীম হোসেন দৈনিক মানবজমিন এর ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা প্রতিনিধি ও সুষম পশু খাদ্য সাফিনা সাইলেজর স্বত্বাধিকারী।
জানাযায়, শামীম হোসেনকে গত ০৩ ফেব্রুয়ারি রাতে আমান উল্লাহ “গৌরীপুর রন্ধন কাব্য রেষ্টেুরেন্টে” ডেকে নিয়ে আটকিয়ে ভয়ভীতি ও মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক ফাঁকা ৩শ টাকার নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাপ ও একটি গৌরীপুর রুপালি ব্যাংক লিঃ উপশাখার হিসাব নং-০৮৪৪০২০০০২০৮১ চেক নং ঈউই ৩৩০৭৫০৯ চেক স্বাক্ষর করে নেয় এবং আমার নামে ক্রয়কৃত হোন্ডা হর্নেট ভার্সন ২.০ লাল রঙের মটর সাইকেল জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়।
শামীম হোসেন বলেন, পরবর্তীতে আমি গত (০৫ ফেব্রুয়ারি ২৫) তারিখ গৌরীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করি। কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালীদের চাপের কারনে থানায় অভিযোগ দিলেও কোন কাজে আসেনি, পরবর্তীতে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি আমি ময়মনসিংহ বিজ্ঞ আদালত গৌরীপুর নির্বাহী কোর্টে ৯৮ ধারায় ফাঁকা ষ্ট্যাপ ও চেক উদ্ধারের মামলা দায়ের করি। যার মামলা নং ১৪৩/২৫।
বিবাদী আমান উল্লাহ ডিজঅনার মামলায় উল্ল্যেখ করেন, আমি গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বাদীর বাড়ীতে উপস্থিত হয়ে গৌরীপুর রুপালি ব্যাংক লিঃ উপশাখার ”সাফিনা সাইলেজ” নামীয় আমার প্রতিষ্ঠানের চেক প্রদান করেন। চেকটি ২৫ ফেব্রুয়ারি ডিজঅনার হয় এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন। এবং ২২ এপ্রিল জেলা ময়মনসিংহের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ৪ নং আমলী আদলত গৌরীপুর সি আর নং ২৯০/২৫ একটি মামলা দায়ের করেন।
শামীম হোসেন আরও জানান, গত (১০ ফেব্রুয়ারি ২৫) দৈনিক ইত্তেফাক প্রত্রিকায় একটি সর্তীকীরন বিজ্ঞপ্তি দেয় আমি সাফিনা সাইলেজের কর্মচারি এবং গৌরীপুর স্থানীয় অনলাইন পোর্টালের ফেইসবুক পেজ “গৌরীপুর প্রতিদিন” এ বাদীর পিতা বক্তব্য দেন যে ২০২২ সালের শেষ থেকে সাফিনা সাইলেজ শুরু হয় প্রথম থেকে বিবাদী শামীম হোসেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারি, গত ০৭ ফেব্রুয়ারি ২৫ তারিখে স্বেচ্ছায় অব্যহতি নিয়েছি। কিন্তু আমি শামীম হোসেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রোপাইটর ২০২২ থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত আমার বৈধ ট্রেড লাইসেন্স আছে, বিদ্যুৎ, ২৪-২৫ অর্থ বছরের আয়কর রিটার্ন, ট্রেড মার্কস, লিজ ভাড়া এবং বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক গৌরীপুর শাখায় সাফিনা সাইলেজ এর নামে একটি ৫ লক্ষ টাকার লোন চলমান আছে। ব্যবসায় আমান উল্লাহ শেয়ার প্রস্তাব দিলে আমি না করি। এর পর থেকে আমাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে এবং আমার প্রতিষ্ঠান দখল করে নেয়।
স্থানীয় সাংবাদিক হুমায়ন কবির সুমন বলেন, গেীরীপুর রন্ধন কাব্য রেষ্টেুরেন্টে (০৩ ফেব্রুয়ারি ২৫) তারিখ শামীমের স্বাক্ষরিত চেক ও ৩শ টাকার নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাপে স্বাক্ষর করে নেয় এবং মটর সাইকেল নেওয়ার সময় আমাকে ডা. আমান উল্লাহ ডেকে নিয়ে ভিডিও ধারন করতে বললে আমি ভিডিও ধারন করি। এর আগে পরে কী হয়েছে আমি জানিনা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. আমান উল্লাহ জানান, এটা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান আছে। এ্যাডভোকেটের কথা ছাড়া সরাসরি কোন মন্তব্য করার সুযোগ নাই।




































