
স্টাফ রিপোর্টার : সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের সহ-বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এম.এ.শহীদ-এর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের খবরে তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নীতি-আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পূর্বে তাকে প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হলেও, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সর্বশেষ সিদ্ধান্তে তিনি পুনরায় যুবদলের সাংগঠনিক দায়িত্বে ফিরে এলেন।আবেদনের প্রেক্ষিতে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং এম.এ. শহীদকে তার স্ব স্ব পদে বহাল রাখে। সিদ্ধান্তটি(২৮জানুয়ারি) কার্যকর করা হয়।এই সংবাদ প্রকাশের পরপরই মধ্যনগর উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ–উদ্দীপনার জোয়ার বইতে থাকে। তৃণমূল নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শুকরিয়া ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে একে ন্যায়সংগত ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত বলে অভিহিত করেন। অনেকেই পোস্টে এম.এ. শহীদের দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক ত্যাগ, মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তা এবং দলের প্রতি তার অবিচল আনুগত্যের কথা গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।নেতাকর্মীদের মতে, এম.এ. শহীদের প্রত্যাবর্তন শুধু একজন নেতার ফেরার ঘটনা নয়, বরং এটি তৃণমূলের প্রত্যাশার প্রতিফলন। তার নেতৃত্বে মধ্যনগর উপজেলাসহ সুনামগঞ্জ জেলায় যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান হবে এবং দলীয় ঐক্য সুসংহত হবে—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।




























