শিরোনাম
মুরাদনগরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দু'হত্যা মামলার আসামি আরিফ ডাকাত গ্রেপ্তার ভুরুঙ্গামারীতে বারি সরিষা-১৪ এর মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা অনুষ্ঠিত ধুনটে রাস্তার কাজ বন্ধ রেখে ঠিকাদার লাপাত্তা, জনদুর্ভোগ চরমে এলাকাবাসীর মানববন্ধন যুবদল নেতা মাসুক মিয়াসহ চারজনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবের পারিবারিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে সামিট স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণী নির্বাচনী রাজনীতিতে শিশু নয়-শিশুবান্ধব ভোটের দাবিতে নীলফামারীতে স্মারকলিপি মুরাদনগরে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের দুইদিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু সুন্নিজোট প্রার্থীর দিনভর গণসংযোগ কর্ণফুলীবাসীর দূঃখ ঘুচানোর প্রত্যয় এস এম শাহজাহানের উসমানপুর গ্রামে দুপক্ষের সংঘর্ষে রিবা আক্তার এর পরিবারে ১৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা লুটপাট অষ্টগ্রাম থানায় মামলা দায়ের
সোমবার ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
সোমবার ২৬ জানুয়ারি ২০২৬

কয়েকজন বিচারপতির বিষয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান চলছে: সুপ্রিম কোর্ট

আদালত প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বুধবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে বর্তমানে বেশ কয়েকজন বিচারপতি আচরণের (কনডাক্ট) বিষয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। একইসঙ্গে এ বিষয়ে যথেষ্ট অগ্রগতিও হয়েছে।


বুধবার (০৪ ডিসেম্বর) বিষয়টি জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসন সূত্র।  


১৯৭২ সালে প্রণীত মূল সংবিধানে উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ছিল। ১৯৭৫ সালের ২৪ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এ ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে অর্পণ করা হয়। পরে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা দেওয়া হয় সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের কাছে।  


 ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ষোড়শ সংশোধনীতে সেটা বাতিল করে বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া হয় সংসদকে। বিলটি পাসের পর একই বছরের ২২ সেপ্টেম্বর তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।


সংবিধানের এ সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ওই বছরের ৫ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের নয় আইনজীবী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। রুলের রুল শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৫ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ।


রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি পাওয়ার পর ২০১৭ সালের ৪ জানুয়ারি এ বিষয়ে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।


ওই আপিলের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ৩ জুলাই হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে সর্বসম্মতিক্রমে চূড়ান্ত রায়টি দেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ। পরে একই বছরের ১ আগস্ট ৭৯৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশিত হয়। এ রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে।


গত ২০ অক্টোবর সেই রিভিউ আবেদন পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করে দেন আপিল বিভাগ।  


এরপর সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন করা হয়।


কোনো বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে এই কাউন্সিল যাচাই বাছাই করে রাষ্ট্রপতির কাছে অভিযোগ প্রেরণ করেন। সংবিধান অনুসারে, প্রধান বিচারপতি ও জ্যেষ্ঠ দুইজন বিচারপতির সমন্বয়ে এ কাউন্সিল গঠিত হয়।


সেই সময়ে অন্তত ১৫ জন বিচারপতিকে বিচার কাজের বাইরে রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে তিনজন বিচারপতি ইতোমধ্যে পদত্যাগ করেছেন।


এ অবস্থায় বুধবার সুপ্রিম কোর্ট জানায়, বর্তমানে বেশ কয়েকজন বিচারপতির আচরণের (কনডাক্ট) বিষয়ে প্রাথমিক অনুসন্ধান চলছে এবং এ বিষয়ে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে।


ষোড়শ সংশোধনীতে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল বাতিলের আগে সংবিধানের এ সংক্রান্ত ৯৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, (২) এই অনুচ্ছেদের নিম্নরূপ বিধানাবলি অনুযায়ী ব্যতীত কোনো বিচারককে তাহার পদ হইতে অপসারিত করা যাইবে না।


(৩) একটি সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল থাকিবে যাহা এই অনুচ্ছেদে ‘কাউন্সিল’ বলিয়া উল্লেখিত হইবে এবং বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারকের মধ্যে পরবর্তী যে দুইজন কর্মে প্রবীণ তাহাদের লইয়া গঠিত হইবে:


তবে শর্ত থাকে যে, কাউন্সিল যদি কোনো সময়ে কাউন্সিলের সদস্য এইরূপ কোনো বিচারকের সামর্থ্য বা আচরণ সম্পর্কে তদন্ত করেন, অথবা কাউন্সিলের কোনো সদস্য যদি অনুপস্থিত থাকেন অথবা অসুস্থতা কিংবা অন্য কোনো কারণে কার্য করিতে অসামর্থ্য হন তাহা হইলে কাউন্সিলের যাহারা সদস্য আছেন তাহাদের পরবর্তী যে বিচারক কর্মে প্রবীণ তিনিই অনুরূপ সদস্য হিসাবে কার্য করিবেন।


(৪) কাউন্সিলের দায়িত্ব হইবে-


(ক) বিচারকগণের জন্য পালনীয় আচরণ বিধি নির্ধারণ করা; এবং


(খ) কোনো বিচারকের অথবা কোনো বিচারক যেরূপ পদ্ধতিতে অপসারিত হইতে পারেন সেইরূপ পদ্ধতি ব্যতীত তাহার পদ হইতে অপসারণযোগ্য নহেন এইরূপ অন্য কোনো পদে আসীন ব্যক্তির সামর্থ্য বা আচরণ সম্পর্কে তদন্ত করা।


(৫) যে ক্ষেত্রে কাউন্সিল অথবা অন্য কোনো সূত্র হইতে প্রাপ্ত তথ্যে রাষ্ট্রপতির এইরূপ বুঝিবার কারণ থাকে যে কোনো বিচারক-


(ক) শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের কারণে তাহার পদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করিতে অযোগ্য হইয়া পড়িতে পারেন, অথবা


(খ) গুরুতর অসদাচরণের জন্য দোষী হইতে পারেন, সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কাউন্সিলকে বিষয়টি সম্পর্কে তদন্ত করিতে ও উহার তদন্ত ফল জ্ঞাপন করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারেন।


(৬) কাউন্সিল তদন্ত করিবার পর রাষ্ট্রপতির নিকট যদি এইরূপ রিপোর্ট করেন যে, উহার মতে উক্ত বিচারক তাহার পদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনে অযোগ্য হইয়া পড়িয়াছেন অথবা গুরুতর অসদাচরণের জন্য দোষী হইয়াছেন তাহা হইলে রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা উক্ত বিচারককে তাহার পদ হইতে অপসারিত করিবেন।


(৭) এই অনুচ্ছেদের অধীনে তদন্তের উদ্দেশ্যে কাউন্সিল স্বীয় কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করিবেন এবং পরোয়ানা জারি ও নির্বাহের ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের ন্যায় উহার একই ক্ষমতা থাকিবে। 


আরও খবর




‎নওগাঁর মান্দায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মারপিট বাড়ি ঘরে হামলা আতঙ্কে ঘরছাড়া কয়েকটি পরিবার

ভোরের সময়ের বর্ষপূর্তিতে সেরা সাংবাদিক সম্মাননা পেলেন বিদ্যুৎ

ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যের ডাক-আনিছ কামরুল ভাই–ভাই,ধানের শীষে ভোট চাই

পঞ্চগড়ে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনে সারজিস আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

তালাকে পৌরসভা, পাটকেলঘাটাকে উপজেলা করার প্রতিশ্রুতি দিলেন সাবেক এমপি হাবিব

মেহেরপুরের গাংনীতে দুটি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার

সাতক্ষীরায় গণভোট সম্পর্কে নারী ভোটারদের সচেতনতায় উঠান বৈঠক

মুরাদনগরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দু'হত্যা মামলার আসামি আরিফ ডাকাত গ্রেপ্তার

২৭ জানুয়ারি সাতক্ষীরায় আসছেন জামায়াতের আমীর ডা.শফিকুর রহমান

শিশু রোগীদের খোঁজখবর নিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

ভুরুঙ্গামারীতে বারি সরিষা-১৪ এর মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা অনুষ্ঠিত

ধুনটে রাস্তার কাজ বন্ধ রেখে ঠিকাদার লাপাত্তা, জনদুর্ভোগ চরমে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

গণভোটে ভোটার সচেতনতা জোরদারে উলিপুরে চলছে ব্যাপক প্রচারণা

পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপি'র প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশে অস্পষ্টতার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলনে

গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ফুলপুরে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ব্যবসায়ীর চোখ উপড়ে ও লিঙ্গ কর্তন করে হত্যা

খালেদা জিয়া মারা গেছেন

জামালগঞ্জে ডেবিল হান্ট অপারেশনে যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

সিংড়া উপজেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিত অধ্যক্ষ রকিবুল ইসলাম

কক্সবাজারে অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি: মাঠে নেমেছেন আপেল মাহমুদ

ঘাটাইলে শীতে খেজুর রস খেয়ে তৃপ্তি পাচ্ছে রসপ্রেমীরা

আখাউড়ায় খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিলে বিএনপির এমপি প্রার্থী কবির আহমেদ

মনোনয়ন বৈধ হলেও ধোঁয়াশা: সুনামগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির দুই প্রার্থী ঘিরে আলোচনা

সেনবাগে ছিলোনিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কমনওয়েলথ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের শোক

সিরাজগঞ্জ–৩ আসনে ১২ দলীয় জোটের চূড়ান্ত এমপি প্রার্থী ড. আব্দুস সামাদ

সেনবাগ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক বেলাল হোসেন শামীম

স্বতন্ত্র প্রার্থী সিগমার শোডাউনে কারণে আতঙ্কে কোমলমতি শিশু ও বৃদ্ধারা

চলমান সংকট নিরসনে তৌহিদ ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের বিকল্প নেই শীর্ষক কর্মী সম্মেলন

সেনবাগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৪ ফার্মেসি মালিককে জরিমানা


এই সম্পর্কিত আরও খবর

কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির মোবাশ্বের আলমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

রাস্তা গিলে আ. লীগ নেতার মার্কেট : পুলিশ খুঁজছে, টাকা তুলছেন ভাই

​মানহীন পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর বিএসটিআই, নওগাঁয় দুই কারখানায় দণ্ড

শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

অর্থ আত্মসাৎ: এস আলম, পি কে হালদারসহ ১৩ জনের বিচার শুরু

আইনজীবী হত্যা মামলায় চিন্ময় দাসসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন

নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ দাখিল

‘প্লট দুর্নীতি’: হাসিনা, টিউলিপ, ববির মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি

'মব' শব্দ ব্যবহারের আগে সংযত হওয়া উচিত: তাজুল