
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সামরিক বরখাস্ত হওয়া সেই আলোচিত গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো:মনিরুল হক মিঠু'র সাময়িক বরখাস্তের আদেশ স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। সে আদেশের পর পরই পুনরায় দায়িত্ব দায়িত্ব গ্রহন করলেন তিনি।
মঙ্গলবার (৪ জুন) বিকাল ৩ টায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ কর্যালয়ে আসেন তিনি। পরে তাঁর কক্ষে চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট এবং জন্ম নিবন্ধন এর জন্য প্রত্যয়ন পত্রে সিগনেচার করে দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন।
এ সময় গণমাধ্যম কর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন কোন মামলায় সংশ্লিষ্টতা আছে এইরুপ আপরাধ প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত কোন জন প্রতিনিধিদের কখনো বরখাস্ত করা যায় না। সে দিনের কর্মকান্ডের সাথে আমি কোন ভাবেই জড়িত নই, শুধুমাত্র ইউনিয়ন এর অভিভাবক হিসেবে এই মামলায় আমাকে জড়ানো হয়েছে। তাছাড়া তিনি আরো বলেন,আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়েছে সেই মামলাটি আইনের গতিতে চলবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো:মোবারক হোসেন,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হাজী মো:মোজাম্মেল হক,ইউপি সচিব মো:মশিউর রহমান,ইউপি সদস্য মো:মহিউদ্দিন মোল্লা,নজরুল ইসলাম বাদশা,মোহাম্মদ আলী মোল্লা,আনিসুল হক শাকিল, জেসমিন বেগম, জাহানারা আক্তার,রোকেয়া বেগম,মো:ইলিয়াস,নবী হোসেন,তাজুল ইসলাম পিন্টু প্রমুখ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ মে বুধবার স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি শাখা-১ হতে ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুল হক মিঠুকে সাময়িক বরখাস্ত সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, গত ৮ মে ১ম ধাপে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে আনারস প্রতীকের প্রার্থী আমিরুল ইসলামের সমর্থক এবং নির্বাচনী প্রধান এজেন্ট ছিলেন হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল হক মিঠু। সে সময় হোসেন্দী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটার মামলায় আদালতের আদেশে তাকে কিছুদিন কারাবন্দি থাকতে হয়েছে।





























