
জুলাই আগস্টের আন্দোলনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর। সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্যই দিয়েছেন। চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সাক্ষীদের টার্গেট করে হত্যা করা হচ্ছে। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলে রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, বিচারে কেউ বাধা দিলে ছাড় দেয়া হবে না। সাবেক আইজিপি ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানসহ ৮ জনের তদন্ত অগ্রগতি জানাতে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
আজ (বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন ও সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে। এরপর আরেকটি প্রিজনভ্যানে হাজির করা সাবেক এসপি জসিম উদ্দিন মোল্লা, আবদুল্লাহ আল কাফিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তাকে।
ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্ব তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে আট আসামির অভিযোগের বিষয়ে শুনানি হয়। শুনানি শেষে সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল মামুন, আবদুল্লাহ আল কাফি, শাহিদুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একদিনের অনুমতি দেয়া হয়। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন দুই মাসের মধ্যে দিতে বলা হয়েছে।
এদিকে, বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদে সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী পলক জানিয়েছেন আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট শাটডাউন করা হয়েছে শেখ হাসিনার নির্দেশে।
ট্রাইব্যুনালের মামলার সাক্ষীদের টার্গেট করে খুন করার অভিযোগ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর। বিচারে কেউ বাধা দিলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন রাষ্ট্রপক্ষ।
ট্রাইব্যুনালের বিচারের বৈধতা নিয়ে আবেদন করেছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান। আর ভাটারা থানার ফুটেজ সংগ্রহের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।







































