
মোঃ আশিকুর রহমান আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধি :-
নদী খনন না হলে কৃষি জমিতে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটবে। নদী শুকিয়ে গেছে জমিমৌসুমের সেচ সংকটের কারণে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার বেশ কয়েকটি , হাওরে বোরোর ফলন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কুশিয়ারা নদীর উপ শাখা আজমিরীগঞ্জ উপজেলার ভিতর বয়ে গেছে, এক সময়ে উপজেলার যোগাযোগ অবলম্বন ছিল এই নদী, কিন্তু এখন নদী শুকিয়ে পানি সংকটে ব্যাহত হচ্ছে সেচ কার্যক্রম। মূলত দেশে এখন বোরো, আমন ও আউশের চাষাবাদের ওপর মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা অনেকাংশেই নিশ্চিত হয়। বিশেষ করে সেচভিত্তিক বোরো চাষাবাদই মুখ্য। বোরোর চাষাবাদ পুরোটাই সেচনির্ভর। আর এতে সেচনির্ভর বোরো চাষাবাদে চরম বিপাকে পড়েছে কৃষকরা। যদিও এখন ভূগর্ভস্থ পানির ওপরই সেচভিত্তিক চাষাবাদ অনেকাংশেই নির্ভরশীল। তবু নদীর পানি ও বৃষ্টির পানির যথেষ্ট অবদান রয়েছে। এক কালের খরস্রোতা নদী এখন দেখলে মনে হয় দিগন্ত বিস্তৃত মাঠ বলেই মনে হয়। পানির অভাবে নদীটি শুকিয়ে গেছে। ফলে চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে উপজেলার ইউনিয়নের চাষিরা পানির অভাবে সেচ দিতে পারছেন না জমিতে। সরজমিন দেখা যায়, উপজেলার জলসুখা ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া কুশিয়ারা নদীর উপ শাখা কুশিয়ারা নদীর এক সময়ের খরস্রোতা নদীর গতিপথটি শুকিয়ে গেছে। দীর্ঘদিন যাবত নদীটি খনন না করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। একইসঙ্গে নেমে গেছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তরও। নদীতে পানি না থাকায় সংকটে পড়েছেন চাষিরা। অথচ এই এলাকাটি বছরের ছয় মাস পানির নিচে তলিয়ে থাকে। এবার সেচের পানির অভাবে সম্ভাব্য ফসলহানির আশঙ্কা মাথায় রেখে পরিবারের ভরণপোষণ ও ঋণ পরিশোধ নিয়ে চরম উদ্বেগ আর উৎকন্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন তারা।কৃষকরা জানান, কিছুদিন আগে রোপণ করা ধানের চারাগুলো বেড়ে উঠছে। এখন জমিতে সেচ দেয়া দরকার। কৃষকেরা জানিয়েছেন, কোথাও কোথাও জমির মাটি ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। শুকিয়ে মরে যাচ্ছে অনেক জমির ধানের চারাও। কৃষকদের ভাষ্য, নদী খনন না হাওয়ায় নদীর পানি দ্রুত শুকিয়ে এ অবস্থা তৈরি হয়েছে। কোথাও নদীর তলা ভেসে উটেছে ছাড়া, বৃষ্টিপাত ও হচ্ছে না। জলসুখা গ্রামের কৃষক শিব্বির মিয়া ও লাল মিয়া বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় এবার বৃষ্টিপাত অনেক কম হয়েছে। তাই কার্তিক মাসেই হাওরে নদীর টান পড়েছে। কারও কারও জমি শুকিয়ে ফেটে যাচ্ছে পানির অভাবে।’দ্রুত নদী খনন না হলে ভবিষ্যতে কৃষি কাজে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটবে। এই বিষয় নিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী, হবিগঞ্জ পত্তর বিভাগ, বাপাউবো, হবিগঞ্জ ও ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা শামীম হাসনাইন মাহমুদ এর সঙ্গে মুঠোফোন আলাপ করলে তিনি জানান এখন আপাতত নদী খননের পরিকল্পনা নেই যদি এলাকার লোকজনের চাহিদার উপর শ্রমিক খাদ্যে প্রকল্পে যদি আবেদন হয় তাহলে যাচাই বাচাই করে খননের পরিকল্পনা করা যাবে।





























