
মো আনিছুর রহমান (স্টাফ রিপোর্টার) ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় দুর্গাপুজার আগে দু’টি মন্দিরের জায়গা উদ্ধারের অনুরোধ জানানো হয়েছে।গতকাল শনিবার সকালে থানা পুলিশের সঙ্গে উপজেলা পুজা উদযাপন কমিটি ও পুজা সংশ্লিষ্ট ২৫টি মন্দির কমিটির বৈঠকে এ অনুরোধ জানানো হয়।
হিন্দু ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এ সময় অভিযোগ করেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতির সুযোগে এক প্রতিবেশি মোগড়া এলাকার শ্রী শ্রী দশভুজা কালী মন্দিরের ব্যবহৃত জায়গায় ঘর তুলে ফেলেন। জায়গাটি রেলওয়ে থেকে বন্দোবস্ত নেওয়া হয়েছিলো। এছাড়া রুটি এলাকায় উদ্ধার হওয়া ৮৪ শতাংশ দেবোত্তর সম্পত্তি আবারো দখল করার প্রক্রিয়া চলছে। এরই অংশ হিসেবে ওই সম্পত্তিতে থাকা সাইনবোর্ড ফেলে দিয়েছেন প্রতিবেশিরা। পুজার আগে এসব জায়গা সংশ্লিষ্ট মন্দির কমিটিকে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান জানিয়ে অন্যথায় এর প্রভাব পুজোতে পড়বে বলে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
থানা পুলিশের মিলনায়তনে হওয়া সভায় পুলিশের পক্ষে বক্তব্য রাখেন আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাসিম ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাসুদুর রহমান। পুলিশের পক্ষ থেকে এ সময় জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে সহযোগিতা চাইলে করা হবে।
পুজা উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব বিশ্বজিৎ পাল বাবু’র সঞ্চালনায় এতে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি চন্দন কুমার ঘোষ, পুজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক দীপক কুমার ঘোষ, সাবেক সভাপতি অলক কুমার চক্রবর্তী, রসিক লাল সাহা, তাপস কুমার দাস প্রমুখ। এ সময় জানানো হয়, এ বছর উপজেলায় মোট ২৫টি মন্ডপে পুজা অনুষ্ঠিত হবে। নিজস্ব নিরাপত্তা বলয়কে এবারের পুজায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।





























